সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাতৃবক্ষ থেকে নিঃসৃত হয় অমৃতরস। জন্মের পর তাই-ই হয় শিশুর খাদ্য। পুষ্টি পেয়ে বাড়তে থাকে ছোট্ট শরীরটা। তারপর একদিন সাবলম্বী হয়ে ওঠে। কিন্তু টান থেকেই যায়। ছোট থেকে এভাবেই গড়ে ওঠে মা ও শিশুর এ সম্পর্ক। কিন্তু স্তন্যদানের এই সম্পর্ককেই প্রকাশ্যে বলতে যতো দ্বিধা। এই দ্বিধাই কাটিয়ে উঠলেন প্রখ্যাত সুইমস্যুট মডেল মারা মার্টিন। নিজের পাঁচ মাসের সন্তানকে নিয়েই হাঁটলেন ব়্যাম্পে। শুধু তাই নয়, মার্জার সরণিতেই সন্তানকে স্তন্যদানও করলেন তিনি।
[বাবার হাত ধরেই অভিনয়ে শ্বেতা বচ্চন, প্রকাশ্যে বিজ্ঞাপনের ভিডিও]
মঙ্গলবারই শেষ হল চলতি বছরের মিয়ামি সুইম উইক। সেখানেই একটি ব্র্যান্ডের তরফে হাঁটার কথা ছিল মার্টিনের। সোনালি রঙের বিকিনি পরেছিলেন মডেল। যার এক দিকটা ছিল অফশোল্ডার। কোলে ছিল পাঁচ মাসের শিশুকন্যা। কন্যার কানে ছিল হেডফোন, যাতে বাইরের চিৎকার তার কানে না যায়। মা হাঁটছিলেন ব়্যাম্পে, আর কন্যা মগ্ন ছিল স্তন্যপানে। নিজেই এ দৃশ্য শেয়ার করেছেন মডেল। জানিয়েছেন, মেয়ের জন্মের পর তাঁর জীবনের পরিবর্তনের কথা। জীবন আরও সুন্দর হয়ে ওঠার কাহিনি।
নারী শরীরে শালীনতা খোঁজা এ সমাজের বরাবরের অভ্যাস। স্তন্যদানের মতো কাজকেও এই মাপকাঠিতে বিচার করা হয়। এই চিন্তাধারাকেই কিছুদিন আগে জোর ধাক্কা দিয়েছিলেন মালয়ালম অভিনেত্রী-মডেল তথা লেখিকা গিলু জোসেফ। মালয়ালম ম্যাগাজিন ‘গৃহলক্ষ্মী’র প্রচ্ছদে ছাপা হয়েছিল তাঁর স্তন্যদানের ছবি। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ওইভাবে তাকাবেন না, এখন স্তন্যদান করছি।’ ছবি প্রকাশিত হতেই সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। অবশ্য কেরল হাই কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, স্তন্যদানের ছবি কোনওভাবেই অশালীন হতে পারে না। যে পদক্ষেপের জন্য গিলুকে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল, প্রায় একই কীর্তির জন্য মার্টিন কিন্তু প্রশংসিত হয়েছেন। অনেকেই তাঁর এই বার্তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
[দুর্ঘটনা না ইচ্ছাকৃত! ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল পুনম পাণ্ডের উন্মুক্ত বক্ষের ভিডিও]
সর্বশেষ খবর
-
মোদিকে খুনের ছক! মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার ২ যুবক
-
সরকারি নথিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের অরণ্যভূমি, বাস্তব চিত্র কী?
-
হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোড়জোড় তুঙ্গে! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে কী কী রয়েছে?
-
পুজোর আগেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস, খুশির হাওয়া চা বাগানে
-
কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি