Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

দর্শকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারল কি ‘টোটাল ধামাল’?

দেখতে যাওয়ার আগে জেনে নিন কেমন হয়েছে ছবিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ১৭:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ১৭:৫৩

options
link
দর্শকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারল কি ‘টোটাল ধামাল’? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ধামাল’ যখন মুক্তি পেয়েছিল, চারমূর্তির কমেডিতে মজেছিল দর্শক। ‘ডাবল ধামাল’ ছবিতেও হাসির খোরাকের অভাব ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই ‘টোটাল ধামাল’ নিয়ে উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। ছবিতে কমেডির উপযুক্ত মালমশলা ছিল প্রচুর। লোভী ভাই, স্থানীয় গুন্ডা, বিচ্ছেদের সীমায় পৌঁছনো এক দম্পতি, পুলিশ কমিশনার, কী নেই ছবিতে? আর সেই সঙ্গে বোনাস পয়েন্ট হিসেবে রয়েছে গুপ্তধন আর জঙ্গলের জন্তু-জানোয়ার।

মালমশলা তো ভালই ছিল। কিন্তু পরিচালক ইন্দ্র কুমার কি জমাতে পারলেন গল্প? হলফেরত দর্শক বলছে, মজা হল কই? গোড়ায় যদি গলদ থাকে তাহলে যা হয়, এই ছবির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। চিত্রনাট্যটাই নাকি ছবির ঠিকঠাক নেই। তাই তাবড় তাবড় অভিনেতা অভিনেত্রীদের কাঁধে ভর দিয়েও ওতরাতে পারল না ‘টোটাল ধামাল’। ছবির শুরু হয়েছিল ঠিকভাবেই। মনে হয়েছিল এই ছবি পয়সা উশুল করে দেবে। তার অন্যতম কারণ ছিল টাইটেল সং। এছাড়া অনিল কাপুর আর মাধুরী দীক্ষিতের ম্যাজিক্যাল জুটি। এই রসায়ন একসময় চুটিয়ে রাজত্ব করেছে দর্শকের মনে। এই ছবিতেও তার ব্যতিক্রম ধরা পড়ল না। উপরি পাওনা অনিল কাপুরের গুজরাটি উচ্চারণে সংলাপ আর মাধুরীর সাবলীল মারাঠি উচ্চারণ। তাতেই রয়েছে মজার উপাদান। বলতে গেলে এই জুটি হাসিয়েছে দর্শকদের। তাঁদের পার্টনারশিপ এখানেও দেখার মতো। অজয় দেবগনও তাঁর মতো করে ভাল পারফরম্যান্স করেছেন। কিন্তু তাঁর চরিত্রটি বড় দুর্বলভাবে আঁকা হয়েছে। সঞ্জয় মিশ্র তাঁর মতো করে যথাযথ। এমনিতেই এই অভিনেতার স্ক্রিন প্রেজেন্সই যথেষ্ট। কমিক রোল হোক বা ট্র্যাজিক, তিনি যে সবেতেই সাবলীল, তা একাধিকবার প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি। এখানে অজয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি। অজয় ছবিতে তাঁর ‘ভাই’। কিন্তু সঞ্জয় এখানে জোর করে হাসানোর চেষ্টা করেছেন। আরশাদ ওয়ারসি ও জাভেদ জাফরি আগের দু’টি ছবির মতোই ঠিকঠাক। একই কথা খাটে রীতেশ দেশমুখের ক্ষেত্রেও। তাঁর সঙ্গে জনি লিভারের সিনগুলো ভাল। কিন্তু বোমান ইরানি, মহেশ মঞ্জরেকর আর ইশা গুপ্তা সেভাবে নিজের পারফরম্যান্স মেলে ধরার সুযোগ পাননি।

Advertisement

নগরে ‘অন্য’ প্রেমের কীর্তন উঠে এল ছবিতে ]

‘টোটাল ধামাল’ ছবির বেশিরভাগটাই হয়েছে ভিএফএক্সের সাহায্যে। ছবির প্রথমার্ধ খানিকটা ঝিমোনো। দ্বিতীয়ার্ধে তাই অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। ছবির বেশিরভাগ চরিত্রই নিজেদের মেলে ধরার জায়গা পাননি। দোষ অবশ্যই চিত্রনাট্যের। আর এখানেই পরিচালক ইন্দ্র কুমারের খামতি। এটুকু বাদ দিয়ে ছবিতে আর কিছুর তেমন অভাব নেই। ঝাঁ চকচকে গানের সেট, গ্ল্যামারাস অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি, হাসির ছোঁয়া সবই রয়েছে। এসব পছন্দ করলে ‘টোটাল ধামাল’ দেখতে বক্স অফিসের শরণাপন্ন হওয়াই যায়।

‘গাল্লি বয়’-এর ব়্যাপে কতটা মজল দর্শক? ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.