Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Arghya Sen

ফুরাল রবীন্দ্রগানের এক অধ্যায়, ‘বহু দূরের ওপারে’ অর্ঘ্য সেন, শিল্পীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের ফরিদপুরে মামার বাড়িতে জন্ম অর্ঘ্য সেনের। বুধবার ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন রবীন্দ্রসঙ্গীতের অমর কণ্ঠ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৭:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৭:৪৬

options
link
ফুরাল রবীন্দ্রগানের এক অধ্যায়, ‘বহু দূরের ওপারে’ অর্ঘ্য সেন, শিল্পীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর zoom

রবীন্দ্রসঙ্গীত সাধারণ শিল্প মাত্র নয়, তা গভীর ভাবের সাধনা। ‘জীবন দেবতা’র সেই অন্তর্লীন সাধনার পথে আজীবন হেঁটেছেন অর্ঘ্য সেন। ব্যতিক্রমী সেই শিল্পীর প্রয়াণে অবসান হল এক যুগের। বুধবার ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন রবীন্দ্রসঙ্গীতের অমর কণ্ঠ অর্ঘ্য সেন (Arghya Sen)। বর্ষীয়ান সুরসাধকের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৪ জানুয়ারি দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত হয়েছেন অর্ঘ্য সেন। তাঁর গাওয়া ‘আমার মাথা নত করে’ কিংবা ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়েছিলে’ গানগুলো এই প্রজন্মকেও ছুঁয়ে যায়। শিল্পীর প্রয়াণে সংক্ষিপ্ত শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেনের প্রয়াণে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। তাঁর চলে যাওয়া বাংলা সাংস্কৃতিক জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”

Advertisement

১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের ফরিদপুরে মামার বাড়িতে জন্ম অর্ঘ্য সেনের। বাবা হেমেন্দ্রকুমার সেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক। গৃহিনী মা বিন্দুদেবী সঙ্গীতপ্রেমী। মায়ের থেকেই কিশোর অর্ঘ্যের মধ্যে সঞ্চারিত হয় সঙ্গীতের প্রতি ভালোবাসা। ১৯৫১ সালে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন অর্ঘ্য সেন। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটে কর্মজীবন শুরু করে পরবর্তী সময়ে ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অর্গানাইজেশন (NSSO)-এ দীর্ঘদিন কাজ করেন।

দেবব্রত বিশ্বাস এবং অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সঙ্গীতশিক্ষা অর্ঘ্য সেনের।

রেডিওতে পঙ্কজকুমার মল্লিকের গান শুনে অনুপ্রাণিত হন অর্ঘ্য সেন। দেবব্রত বিশ্বাস এবং অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সঙ্গীতশিক্ষা। জর্জ বিশ্বাসের সান্নিধ্যেই গানের ভূবনে নতুন জানলা খুলে যায় অর্ঘ্যর সামনে। শব্দের গভীরতা, ভাবের সূক্ষ্মতা আর উচ্চারণের শুদ্ধতায় রবীন্দ্রসঙ্গীতকে তিনি নিজের কণ্ঠে এক অনন্য মর্যাদা দেন। রবীন্দ্রসঙ্গীতে তাঁর আজীবন সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৭ সালে তিনি পান সঙ্গীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার। পরবর্তীতে ‘টেগোর ফেলো’ সম্মানও তাঁর ঝুলিতে আসে। যদিও এর চেয়েও মূল্যবান অর্ঘ্য সেনের আজীবনের সঙ্গীতসাধনা। মননশীল বাঙালি মাত্রই জানেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.