২৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শুভঙ্কর চক্রবর্তী: ছবির ফার্স্ট লুক রিলিজের পর ট্রোলারদের প্রতিক্রিয়া ছিল খানিকটা এরকম–

১.‘সিক্স প্যাক! শাহরুখ ভাবছে নিজেকে।’

২.‘এসভিএফে দেব নেই, তাই চান্স খুঁজছে!’

৩. ‘কপি ছবিতে কামব্যাক?’

কিন্তু নায়ক মুখে কুলুপ এঁটে সয়ে গিয়েছিলেন এ ক’দিন। কখনও ডজ, কখনও বাইপাস আবার কখনও না পেরে সরব হয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এখন হয়তো সে সব নস্যাৎ করতে পারবেন অঙ্কুশ হাজরা।

কারণ ‘ভিলেন’ ভাল ছবি। এক কথায় পয়সা উসুল। অ্যাকশন-গান-নাচ-হালকা কমেডি। একটি এন্টারটেনিং ছবিতে যে উপাদানগুলো থাকে, তার প্রায় সব খোরাক জোগাবে ‘ভিলেন’। অভিনয়ে অঙ্কুশ-মিমি-ঋত্বিকা। তিন মাস খেটেখুটে সিক্স প্যাক বানিয়ে, যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছেন অঙ্কুশ। রাগেড লুক। চোখে চশমা। হালকা বিয়ারডেড। এবং দ্বৈত চরিত্র।

পুজোয় ফিরল কিশোর আবেগের গপ্পো ‘কিশোর কুমার জুনিয়র’ ]

পুরোপুরি ভাল চরিত্র-রাজা চৌধুরি (কী করে জানা যায়নি)। আর পুরোপুরি খারাপ চরিত্র, (বিজনেস ম্যান, চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে)-জয় চ্যাটার্জি। এই ভাল-খারাপ দু্’টোকেই সামলেছেন অঙ্কুশ।

বৃষ্টি পড়ছে। খোলা স্টেডিয়াম। জয়-রাজা একে অপরের মুখোমুখি। অঙ্কুশের উলটোদিকে অঙ্কুশ। আর তারপরই উদোম মারপিট শুরু। সিনটিকে স্ক্রিনে অনবদ্য সাজিয়েছেন পরিচালক। গল্পের পরতে পরতে নিঁখুত বুনটে রয়েছে সাসপেন্স-থ্রিলার-অ্যাকশন। প্লট-সাবপ্লটে রহস্য ভরপুর।

মিমি চক্রবর্তী (রিয়া) ছবিতে অনেকটা জুড়ে রয়েছে। ছবির ‘সত্যান্বেষী’। রিয়াই প্রথম আবিষ্কার করে ফেলে তার প্রেমিক অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায়নি। তাকে খুন হতে হয়েছে। এরপর থেকেই ছবির নয়া মোড়। নাচে-অভিনয়ে মিমি, ঋত্বিকার থেকে ঢের এগিয়ে। তবে, ছবির পোস্টারের মিমি যতটা সেক্সি। স্ক্রিনে নয়। তাই আশাহত হতে পারেন।

পুরো ছবিতে ঋত্বিকা সেন (স্নেহা) আলতো গলায় কথা বলে গেলেন। ক্ষোভ, অভিমান কিংবা প্রেমের মতো অনুভূতিগুলো এক সুতোতেই বেঁধেছেন ঋত্বিকা। তাই অভিনয় অসংলগ্ন। ‘ভিলেন’-এর টুইস্ট-টার্নের শেষ ফিতে কাটবেন কিন্তু স্নেহা। তা দেখবার মতো।

বাবা যাদব। ছিলেন কোরিওগ্রাফার। পরে হলেন পরিচালক। ‘ভিলেন’-এ অঙ্কুশ-মিমিকে তাই নাচের সঙ্গে অভিনয়ও শেখাতে পেরেছেন। ঋত্বিকাকে পারেননি।

বাদশার গলায় ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ এবং আরমান মালিকের ‘পেয়ার কী ডোজ’-দু’টি গানই বেশ এনার্জেটিক। আশা করা যায় দশমীর ভাসান গানে ট্রেন্ডিং চার্টে থাকবেই। ছবির সংলাপ লিখেছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁর লেখা ‘হিরো মরে গেলে পাবলিক নিতে পারবে না’–কথাটা চিরসত্য। ‘ভিলেন’-এর ক্ষেত্রেও যথেষ্ট প্রযোজ্য!

কেমন হল অস্কারে মনোনীত ছবি ‘ভিলেজ রকস্টার্স’? ]

পুনশ্চ:

ফার্স্ট হাফে তেলুগু ছবি ‘জেন্টেলম্যান’ এর রিমেক মনে হতে পারে। সেকেন্ড হাফে কপি করা সিনের সংখ্যা কমে আসবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং