বিক্রম রায়, কোচবিহার: রায়ডাক এক নম্বর নদীর সংস্কার করে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল পুরসভা। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে রায়ডাক ১ নম্বর নদী। এই নদীর সৌন্দর্যায়নের ভাবনা ছিল তুফানগঞ্জ পুরসভার। এবার সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে চলেছে পুরসভা। সঙ্গে কর্মসংস্থানেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুরপ্রধান অনন্ত বর্মা জানান, “নদী সংলগ্ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু মৎস্যজীবী বসবাস করেন। তাঁদের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্য এক অভিনব পরিকল্পনা নিয়েছে পুরসভা। পুরসভার তরফ থেকে নদী খনন করার ব্যবস্থা হচ্ছে। পলি, আবর্জনা ও কচুরিপানায় ভরে থাকা এই নদী খনন করে নতুন করে জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যার ফলে একদিকে যেমন নদী প্রাণ ফিরে পাবে, অন্যদিকে এলাকার মৎস্যজীবীরা এখানে মাছ চাষের সুযোগ পাবেন।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই প্রকল্পটি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। নদী খনন করার ক্ষেত্রে যেসব দিকে নজর রাখতে হবে, তা নিয়ে সেচ দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নদী খননের পাশাপাশি শহর সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁধ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার।
[আরও পড়ুন: অকালবৃষ্টিতে আলু তোলার আগেই জলের তলায় জমি, মাথায় হাত কৃষকদের]
প্রতি বছর বর্ষার মরশুমে এই নদী যখন ফুলে-ফেঁপে ওঠে, সেই জলে ভাসে পুর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ড। বন্যা কবলিত মানুষের দ্রুত সেখান থেকে পার্শ্ববর্তী স্কুলগুলিতে নিয়ে আসা হয়। সেই জন্য একইসঙ্গে নদীবাঁধের ব্যবস্থা করার কথা ভাবা হয়েছে। পুরপ্রধান জানিয়েছেন, প্রতি বছর বন্যার সময় তুফানগঞ্জের ৫ নম্বর ওয়ার্ডটি জলের নিচে থাকে। সেই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা একটি বাঁধের পরিকল্পনা করেছি। বাঁধ তৈরি হয়ে গেলে নদীর জল শহরে ঢুকবে না। একই সঙ্গে এলাকার মানুষের সুবিধার্থে বাঁধের পাশে সুপরিকল্পিত বসার জায়গা তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই রায়ডাক নদীকে কেন্দ্র করে একটি উদ্যান তৈরি করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক