Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Paddy

মাঠে নয়, ধান ফলছে ছাদে, অভিনব পদ্ধতি চাষ করে তাক লাগালেন দত্তপুকুরের বাসিন্দা

কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৩, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৩, ১৬:৫১

options
link
মাঠে নয়, ধান ফলছে ছাদে, অভিনব পদ্ধতি চাষ করে তাক লাগালেন দত্তপুকুরের বাসিন্দা zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাসত: মাঠে নয়, ধান চাষ হচ্ছে বাড়িতেই। তাও আবার ছাদে। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতলকে ব্যবহার করে জৈব পদ্ধতিতে ফলানো হচ্ছে ধান। এমন ঘটনা ঘটিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দত্তপুকুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দা অমল বিশ্বাস। আগামিদিনে কৃষিক্ষেত্রে দিশা দেখাবে এবং বেকারত্বের সমস্যা মেটাবে বলেই মনে করছেন তিনি।

নগরায়নের দিন-দিন কমেছে চাষের জমি। ফলে কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে। এই সব চিন্তা থেকেই মাস ছ’য়েক আগে বাড়ির ছাদে ধান চাষ করার ভাবনা আসে পেশায় ইলেকট্রনিক্স টেকনিশিয়ান অমলের। এরপরই বাড়ির একতলা ৮০০ বর্গফুট ছাদে তিনি চাষের পরিকল্পনা নেন। পরিবেশ রক্ষার কথা মাথায় রেখেই ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতলকে ব্যবহার করেন ধান রোপণের পাত্র হিসাবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিনের আলোয় রাস্তার উপর কুপিয়ে খুন শিলিগুড়ির যুবককে! আত্মসমর্পণ আততায়ীর]

তবে, ধান ফলানোর জন্য কোনওরকম কৃত্রিম সার ব্যবহার করেননি দত্তপুকুরের অমলবাবু। বরং ফেলে দেওয়া শাকসবজি, আলু-সহ অন্যান্য ফলের খোসা, ভাতের ফ‍্যান দিয়ে তৈরি পরিবেশ বান্ধব জৈব সার প্রয়োগ করেছেন। এই পদ্ধতিতে চাষ করে বাড়ির ছাদে প্রায় ১ হাজার ধানের বীজ ফলিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। এই পদ্ধতিতে বছরে চারবার ধানের ফলানো যাবে বলে জানা গিয়েছে।

এবিষয়ে অমল বিশ্বাস বলেন, “আমি শুধু চেয়েছি, বেকার সমস্যা সমাধান হোক। সুযোগ তৈরি হোক কর্মসংস্থানের। এই পদ্ধতিতে চাষ করলে খরচ খুবই কম। আয়ও হবে বেশি। যে কোনও পরিবার স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।”

[আরও পড়ুন: ‘সস্তার অস্ত্র, গরমে বোম ফেটে যাচ্ছে’, বনগাঁ বিস্ফোরণ নিয়ে হাস্যকর দাবি অর্জুনের!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.