Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Paddy

নোনা জমিতে ধান চাষ, হলদিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদক সংস্থার সহযোগিতা নজির গড়লেন কৃষকরা

চাষিদের সহযোগিতা করেছেন কৃষি বিজ্ঞানীরাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২১, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২১, ১৮:৫৫

options
link
নোনা জমিতে ধান চাষ, হলদিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদক সংস্থার সহযোগিতা নজির গড়লেন কৃষকরা zoom

চঞ্চল প্রধান, হলদিয়া: ইয়াস বা যশ (CycloneYaas) অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মানুষ হার মানতে বাধ্য। কিন্তু কোথাও না কোথাও দুর্যোগকে হার মানতে হয়েছে কৃষকের মেধার কাছে। হলদিয়ার রূপনারায়ণচকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। নিশ্চয়ই ভাবছেন ব্যাপারটা ঠিক কী?

গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে হুগলি (Hooghly) নদী। এই নদীর গা-ঘেঁষে রয়েছে রূপনারায়ণচক, ঝিকুড়খালি, শালুকখালি, বাণেশ্বরচক গ্রাম। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গ্রামগুলির চাষিদের আয়ের মুখ দেখাতে উদ্যোগী হয় হলদিয়া শিল্প তালুকের স্থানীয় বিদ‍্যুৎ উৎপাদক সংস্থা হলদিয়া এনার্জি লিমিটেড। কয়েক মাস আগে ঘটে যাওয়া যশের দাপটে বহু জায়গায় লোনা জল ঢুকে ফসল নষ্ট করেছে। রূপনারায়ণচক-সহ পাশাপাশি গ্রামগুলি এই নোনা জলের শিকার হয়। নন্দকুমার ব্লকে অবস্থিত পূর্ব মেদিনীপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে এখানে চাষিদের পাশে দাঁড়িয়েছে হলদিয়া এনার্জি লিমিটেড। অতিরিক্ত জল এবং লোনা জলের উপযোগী ধান ‘অমলমনা’ এবং ‘স্বর্ণ-সাব-ওয়ান’ দুটি প্রজাতির ধান চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: Coronavirus: করোনা কেড়েছে বাবার প্রাণ, পড়াশোনা ভুলে দিন গুজরানের চিন্তায় দুই ভাইবোন]

জানা গিয়েছে, এলাকার ৪০ জন চাষিকে সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বীজধান-সহ চাষে প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়েছে। ধানের মাঠ এখন সবুজময়। এমন সহযোগিতা পেয়ে চাষিরাও বেশ খুশি। স্থানীয় চাষি পালান বৈরাগী বলেন, “হলদিয়া এনার্জি লিমিটেড কোম্পানি এবং কৃষি বিজ্ঞানীদের সাহায্যে আমরা নতুন ধান চাষের সুযোগ পেয়েছি।” কর্পোরেট সোসাল রেসপন্সিবিলিটি(সিএসআর) প্রকল্প হলদিয়া এনার্জি লিমিটেডের এমন ব‍্যাতিক্রমী উদ্যোগে উপকৃত চাষিরা। সংস্থার সিএসআর প্রকল্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত ম‍্যানেজার সত‍্যজিৎ গাঙ্গুলী জানান, “মানুষের যথার্থ উপকার হোক আমরা চাই। সেই লক্ষ্যে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে স্থানীয় চাষিদের চাষের উন্নতি ঘটাতে চেয়েছি। চাই আর্থিকভাবে চাষিদের স্বচ্ছলতা।”

কেবল ধান চাষ নয় । সবজি চাষেও সুফল পেয়েছে এলাকার চাষিরা। হলদিয়ার সবজি উৎপাদনের বৃহৎ হিসেবে পরিচিত এই জায়গা। সম্প্রতি তৈলবীজ চাষের আধিক্য দেখা গিয়েছে। বছর দুই আগে পূর্ব মেদিনীপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রত‍্যক্ষ সহযোগিতায় প্রকল্প ভিত্তিক সবজি চাষ শুরু হয়। আবহওয়া এবং মাটির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী অন‍্যান‍্য চাষেও জোর দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানী(শস‍্য) তরুণ সরকার বলেন, “এখানে কৃষিক্ষেত্রে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতি ব‍্যবহারে ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। পরিবেশ উপযোগী উন্নত প্রজাতির সবজি,ধানের পাশাপাশি চিনাবাদাম চাষের কাজ শুরু হয়েছে । মালচিং পদ্ধতিতে বেশ ভাল ফলন পাওয়া যায় । চাষিরা বুঝেছেন বলেই এই চাষের পরিসর বাড়তে চলেছে।”

[আরও পড়ুন: Agriculture News: রাস্তার ধারে ফল গাছ থাকার প্রয়োজনীয়তা কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের মত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.