রাজা দাস,বালুরঘাট: লক্ষ্য বাংলায় চাষ করে চাহিদা মেটানো। আর তার ফলে কমবে দামও। সেকথা মাথায় রেখেই উত্তর দিনাজপুরে পিঁয়াজ চাষের কথা ভেবেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথা অনুযায়ী তোড়জোড় শুরু করল জেলা উদ্যান পালন দপ্তর। পিঁয়াজ (Onion) চাষে উৎসাহ দিতে কৃষকদের দেওয়া হবে অনুদান। তার ফলে অনেকেই পিঁয়াজ চাষে রাজি হবেন বলেই আশা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।
দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলায় প্রধান ফসল ধান, পাট, গম ও সরষে। তবে কিছু জমিতে সবজি এবং অন্যান্য চাষও হয়। সামান্য কয়েক বিঘা জমিতে পিঁয়াজ চাষ হত এই জেলায়। যার বেশিরভাগটাই গঙ্গারামপুর এবং কুশমণ্ডি ব্লকে। মাস কয়েক আগে এই জেলায় মুখ্যমন্ত্রী এসে পিঁয়াজ চাষে কৃষকদের আর জোর দিতে বলেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কৃষকদের সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন। এরপরেই জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকে কৃষকদের নিয়ে পিঁয়াজ চাষে উদ্যোগী হয়েছিল স্থানীয় ফার্মাস ক্লাব। অনান্য চাষের মতো এই চাষে কৃষকদের সরকারিভাবে আরও সহায়তার আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। এরপরই উদ্যান পালন দপ্তরের সঙ্গে কৃষি দপ্তর কৃষকদের পাশে নেমেছিল। আত্মা প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সহযোগিতাও শুরু হয়েছিল। তবে এবার উদ্যান পালন দপ্তর পিঁয়াজ চাষে সরাসরি কৃষকদের পাশে দাঁড়াচ্ছে।
[আরও পড়ুন: এক জায়গায় বসানো যন্ত্রেই মরবে গোটা জমির পোকা, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে চাষে উন্নতি মহিষাদলে]
এবার জেলায় সাড়ে ৮০০ বিঘা জমিতে পিঁয়াজ চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে কৃষকদের। দেওয়া হবে অনুদান। জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক সমরেন্দ্রনাথ খাঁড়া বলেন, “পিঁয়াজের দাম অগ্নিমূল্য। দাম কমানোর উদ্যোগেই রাজ্যে পিঁয়াজ চাষে জোর দেওয়া হচ্ছে। শীতকালে ব্যাপকভাবে যাতে পিঁয়াজ চাষ হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। পিঁয়াজ চাষের জন্য কৃষকদের আর্থিক অনুদান নেওয়া হবে। প্রতি ১ বিঘা অর্থাৎ ৩৩ শতক জমিতে ২ হাজার ৬৪০ টাকা করে প্রতি পেঁয়াজ চাষি পাবেন। লিফলেটে প্রচারের পাশাপাশি ফোন মারফত কৃষকদের (Farmer) তা জানানো হচ্ছে। পরিস্থিতি ভাল হলে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে।”
[আরও পড়ুন: লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি, বিমার মাত্র ১টাকা হাতে পেলেন কৃষক! হইহই কাণ্ড মধ্যপ্রদেশে]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!