বিক্রম রায়, কোচবিহার: জেলায় মাছের চাহিদা মেটাতে ভিন রাজ্য থেকে আমদানি কমাতে এবার উদ্যোগী হচ্ছে মৎস্য দপ্তর। তার জন্য স্থানীয় জলাশয়গুলিতে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে জেলার চারটি বড় জলাশয়কে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানে রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের উৎপাদন এক বছরে দ্বিগুণ করে প্রতি হেক্টর ১০ টন পর্যন্ত উৎপাদন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
কোচবিহার জেলা মৎস্য দপ্তরের সহ অধিকর্তা সম্পদ মাঝি জানান, প্রতি হেক্টর জলাশয়ে ৫ টন মাছ উৎপাদন হয়। এই উৎপাদন এবার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চারটি জলাশয় বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানে কয়েকদিন আগে মাছ ছাড়া হয়েছে। এই জলাশয়গুলিতে মূলত রুই, কাতলা, মৃগেলের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোচবিহার ১ ব্লকের একটি জলাশয়, মাথাভাঙা ১ ব্লকের একটি, তুফানগঞ্জ ১ ব্লকের একটি ও তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের একটি করে জলাশয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ময়না মডেলকে অনুসরণ করে এই চাষ করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: আয় বাড়াতে অল্প জমিতেই করুন মেথি চাষ, জেনে নিন পদ্ধতি]
উৎপাদন যেহেতু দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, তাই জলে অক্সিজেনের মাত্রা যাতে কম না হয় তার জন্য মেশিনের সাহায্যে সেখানে বায়ু সঞ্চালিত যন্ত্র লাগানো হচ্ছে। হাই প্রোটিন যুক্ত খাবার মাছকে দেওয়া হয়েছে। যে খাবার দেওয়া হয়েছে তাতে প্রোটিনের মাত্রা অন্তত ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ থাকছে। খাবার যাতে নষ্ট না হয় সেটাও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। তার জন্য জলের উপর ভাসমান খাবারগুলি মাছকে দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের খাবার জলের ওপর প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত ভেসে থাকে। এই পদ্ধতির সুফল পেলে এক বছরের মধ্যে একটি জলাশয় থেকে প্রায় দ্বিগুণ মাছ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে দাবি মৎস্য দপ্তরের।
সর্বশেষ খবর
-
ন’মাস ধরে যৌন নিগ্রহের শিকার! নাবালিকার সন্তান প্রসবের পর কু-কীর্তি ফাঁস, এন্টালিতে গ্রেপ্তার যুবক
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে করবে আদানিরা! শুভেন্দু সরকারের উদ্যোগে বঙ্গ পর্যটনে নতুন দিগন্ত
-
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা, অপসারণের দাবিতে এবার সংসদের দু’কক্ষেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব!
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র