নয়াচরে মাছচাষ করতে চান মৎস্যজীবীরা। সরকারকে কর দিতে রাজি, এমনটাই দাবি নয়াচর মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির। তাদের বক্তব্য, “সরকারের প্রতি আমাদের আস্থা-ভরসা আছে। সরকারকে কর দিয়েই নয়াচরে মাছ চাষ করতে চাই।” সম্প্রতি সমিতির প্রতিনিধিরা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। সমিতির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয়কুমার দাস জানান, বর্তমানে নয়াচরে প্রায় ৮ হাজার একর জায়গা রয়েছে। ইতিমধ্যেই উচ্ছেদের জন্য নোটিস জারি করা হয়েছিল।
এই বিষয়ে আরও খবর
গত ২০০৯ সালে যখন কেমিক্যাল হাব নয়াচরে হবে বলে সিপিএম সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল, তখন নয়াচরে আন্দোলন হয়েছিল। পরে সরকার বদলের পর নয়াচরকে পর্যটন ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের কথা ভাবা হয়। সরকারের তরফে একর প্রতি ৩৫,০০০ হাজার টাকা লিজ ধার্য করায় মৎস্যজীবীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তাঁরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত সরকার ও মৎস্যজীবীদের বসে সমস্যা সমাধানের কথা বলে। কিন্তু গত বছর পুকুরগুলি মেরামত করতে না পারায় এবার খরচ অনেক বেড়ে গিয়েছে। ১২ জুন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে সমস্ত বিষয়টি জানানো হয়। শিশিরবাবু আশ্বাস দেন, চিন্তার কারণ নেই, তিনি পাশে থাকবেন। পাশাপাশি সরকারের নিয়ম মেনে চলতে এবং সরকারের ক্ষতি না হয়, সেদিকে নজর দিতে বলেন।
নয়াচরে যদি কোনও বাংলাদেশি থেকে থাকে, প্রশাসনকে সাহায্য করার পরামর্শও দেন তিনি। মৎস্যজীবীরা জানান, প্রথম বছর করের পরিমাণ কিছুটা বিবেচনা করা হলে তাঁরা পুকুর মেরামত করে চাষ শুরু করতে পারবেন। দ্বিতীয় বছর থেকে সম্পূর্ণ কর দিতে তাঁরা প্রস্তুত। এখন ছোট মাছ ছাড়ার মরশুম, এই সময় পুকুর না পেলে মাছচাষে বড় সমস্যা হবে। সমিতির পক্ষ থেকে দাবি, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দ্রুত পুকুরগুলি হস্তান্তর করুক, যাতে তা চাষের উপযোগী করে তোলা যায়।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
দুরন্ত পারফরম্যান্সেও শেষরক্ষা হল না, আত্মঘাতী গোলে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে জয় হাতছাড়া মিশরের
-
ইউপিএসসি প্রিলিমস-এর ফলপ্রকাশ, পাশ করল কত হাজার?
-
মা-বাবাকে ছাড়া বড় হওয়া, স্পেনকে আটকে চোখে জল! কে এই কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা?
-
নবান্নে শুভেন্দু-প্রসূন সাক্ষাৎ, বাংলায় বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা?
-
বিশ্বকাপে অঘটনের শুরু! কেপ ভার্দের ‘বুড়ো’ গোলকিপারের হাতে আটকে গেল স্পেন, ব্যর্থ বদলি ইয়ামালও



