২০ চৈত্র  ১৪২৬  শুক্রবার ৩ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

ন্যায্য দামে সবজি বিক্রিতে জোড়া উদ্যোগ রাজ্যের

Published by: Sangbad Pratidin |    Posted: July 17, 2016 7:40 pm|    Updated: September 9, 2019 5:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষিজমি থেকে সরাসরি শহরের রান্নাঘরে টাটকা শাক-সবজি পৌঁছে দিতে একাধিক উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার৷ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী মারফত কৃষকের জমির ফসল ন্যায্য দামে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে পৌঁছে যাবে৷ মজুতদার, দালাল ও ফড়েদের উপদ্রব রুখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জোড়া উদ্যোগ- ‘বাংলার ফসল’ ও ‘সুফল বাংলা’৷

রাজনৈতিক মহলের দাবি, শহুরে ক্রেতা ও কৃষকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে চাইছেন প্রশাসক মমতা বন্দোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রী বিলক্ষণ জানেন, মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী একাংশের অসাধু মজুতদারদের তৈরি সবজির কৃত্রিম সঙ্কট৷ তাই ‘সুফল বাংলা’ উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যারাকপুরে  চোখে পড়েছে সবজির ফেয়ার প্রাইস শপ ‘বাংলার ফসল’৷ সরকারি সূত্রের খবর, হাওড়া ও কেষ্টপুরের পর আগামী ১৯ জুলাই নিউ আলিপুরে খুলবে কৃষি ও বিপণন দফতরের ‘সুফল বাংলা’র কাউন্টার৷ ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর, ‘সুফল বাংলা’ কাউন্টার থেকে ছোট ছোট গাড়িতে করে শাক-সবজি পৌঁছে যাবে আবাসনগুলির দোরগোড়ায়৷ কলকাতা-সহ সল্টলেক ও নিউটাউনের সরকারি আবাসনগুলিতে পরীক্ষামূলকভাবে সবজি বিক্রি করার পর কৃষি বিপণন দফতরের উদ্যোগে ধীরে ধীরে শহরজুড়ে খোলা হবে সুফল বাংলার কাউন্টার৷

ক্রেতা ও কৃষকদের মধ্যে সরাসরি সবজি কেনাকাটা করার ব্যবস্থাই নয়, আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষিজ পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির জন্য তরুণ কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্য কৃষি বিপণন দফতর ২০১৭ সালের মধ্যে এক হাজারেরও বেশি যুবককে আধুনিক উপায়ে কৃষিকাজের প্রশিক্ষণ দেবে। প্রত্যেক যুবককে ৯০ দিনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে৷ প্রতিটি জেলার দু’টি ব্লকে এই সংগঠিত হবে প্রশিক্ষণ শিবির। ইতিমধ্যেই বীরভূম ও হুগলি জেলার দু’টি ব্লকে যুবকদের প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্য কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কৃষকরা যাতে নতুন উদ্যোগে তাদের জমি চাষ করতে পারে এবং মুনাফা অর্জন করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা রাজ্য সরকারের কর্তব্য।

Advertisement

Advertisement

Advertisement