সৌরভ মাজি, বর্ধমান: বিকল্প হিসেবে মরশুমি ও অর্থকরী ফল চাষে উৎসাহ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। চলতি বছরে পূর্ব বর্ধমান জেলায় কলা চাষে উৎসাহ দিতে প্রশাসনের মাধ্যমে টিসু কালচার প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ফলের চারাও বিতরণ করা হচ্ছে।
এবছর পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন ব্লকে মোট ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ২০০ কলা গাছের চারা বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে ৯ হাজার ২০০ কলা গাছের চারা বিতরণ করা হবে কেবলমাত্র স্কুলগুলোতে। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক সুদীপ কুমার ভক্ত জানান, “কলা চাষের জন্য যে উপযুক্ত আবহাওয়ার প্রয়োজন তা পূর্ব বর্ধমান জেলার অধিকাংশ এলাকায় রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে কলা চাষ করে উপকৃত হতে পারেন চাষিরা। জেলার সমস্ত ব্লকে এই চারা বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যান্য ফলের চারাও রয়েছে।”
[আরও পড়ুন: মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসাই যেন কাল! নাতনির চোখের সামনে ‘খুন’ প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের মা]
জানা গিয়েছে, সাধারণ ফলের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির আমের চারা মোট ৬৮ হাজার ৫৮০ টি, পেয়ারার চারা ১৪ হাজার ৩৩৬ টি, ডালিমের চারা ২ হাজার ৮৬২ টি, মুসম্বি লেবুর চারা ৪ হাজার ৮৯৭ টি, মালটার ২ হাজার ৮২২ টি, কাঁঠাল গাছের ২ হাজার ৪৭০ টি, নারকেল গাছের চারা ২৫ হাজার ৮০০ টি। এছাড়াও পাতি লেবুর চারা ৮ হাজার ২৮৮ টি, পেঁপে ৮ হাজার ৫৫৬ টি বিতরণ করা হবে। অন্যান্য ফলের মধ্যে ১৩ হাজার ৫২৪ টি ড্রাগন ফ্রুটের চারা, সবেদা চারা ২ হাজার ৯৭০টি, ১ হাজার ৬৭০টি আপেল চারা জেলার দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যান পালন দপ্তরের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই চারা বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক সুদীপ কুমার ভক্ত বলেন, “ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে এলাকার ইচ্ছুক চাষিদের তালিকা তৈরি করে চারা বিতরণ করা হবে। সমস্ত ব্লকে সম পরিমাণের চারা বিতরণ করা হবে।”
[আরও পড়ুন: পুজোর মুখে দুর্যোগের আশঙ্কা! বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়?]
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?
