একমাস আগেই আমগাছে মুকুল! আর এতেই শুরু হয়েছে আশা নিরাশার টানাপোড়েন। সাধারণত ফি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে আমগাছে মুকুল দেখা যায়। কিন্তু এবার জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই গাছে গাছে মুকুল দেখা যাচ্ছে। আর এতেই মালদহের আমচাষিদের প্রশ্ন, এই মুকুল টিকবে তো? কেননা, গরম পড়লেই অগ্রিম গজানো মুকুল নষ্ট হয়ে যায়। গাছ থেকে ঝরে পড়ে। এই মরশুমেও সেই আশঙ্কা থাকছে বলে মত আমচাষিদের। তবে অনেকেই বলছেন, এটা আমের অকাল মুকুল নয়, অগ্রিম গজানো মুকুল। তাই নষ্ট হওয়ার ভয় নেই।
উদ্যানপালন দপ্তরের বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। পরিচর্যা করলেই আমের ফলন ভালো হবে। হঠাৎ কেন আগাম মুকুল? চাষি থেকে বিশেষজ্ঞ, সবাই আবহাওয়াকেই দায়ী করছেন। শীত জাঁকিয়ে পড়ার পর হঠাৎ করে উষ্ণ আবহাওয়া দেখা যায়। এই উষ্ণতায় প্রায় এক মাস আগেই ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে আমগাছে। যা দেখে আশায় বুক বাঁধার কথা আমচাষিদের। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, অগ্রিম গজানো মুকুল টিকবে তো?
আরও পড়ুন:
জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক সামন্ত লায়েক আমচাষিদের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, “সঠিক পরিচর্যা করলে অগ্রিম ফোটা মুকুলেও আম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” আম ব্যবসায়ী উজ্জ্বল সাহা বলেন, “এবার আমগাছে আগাম মুকুল এসেছে। তা আমি আগে কখনও দেখিনি। কিন্তু ভয় হচ্ছে, এই আগাম মুকুল শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে কি না!” ইংলিশবাজার ব্লকের কোতয়ালির আমচাষি মোবারক হোসেন বলেন, “এখন বৃষ্টি না হলে এই মুকুল রক্ষা করা যাবে না। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাই মুকুলে কীটনাশক ও জল স্প্রে করতে হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আগস্টেই ৮৯ শিশুর মৃত্যু! তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পরেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে সরাল স্বাস্থ্যদপ্তর
-
চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমবাণী সুদূর পাশ্চাত্যে, শ্রীল প্রভুপাদের হাত ধরে গোটা বিশ্বে আজ কৃষ্ণভক্তির প্লাবন
-
লাহুলে রাজমার ৪ হাজার জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা, উন্নত জাত তৈরির উদ্যোগ
-
প্যান্ডেলের বাঁশেও ডেঙ্গুর লার্ভা! পুজো কমিটিগুলিকে ‘সাবধান’ করল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর
-
মাওয়ের মতো ‘লং মার্চ’ জামাতের, তবে হেঁটে নয়, বাসে! তারেকের বিরুদ্ধে ‘হাস্যকর’ কর্মসূচি