Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

কালো নুনিয়ার সঙ্গে তুলাইপাঞ্জি চাল চাষের উদ্যোগ কোচবিহারে

কেন তুলাইপাঞ্জি চাষে জোর দেওয়া হচ্ছে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৮, ১৮:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৮, ১৮:৩৮

options
link
কালো নুনিয়ার সঙ্গে তুলাইপাঞ্জি চাল চাষের উদ্যোগ কোচবিহারে zoom

বিক্রম রায়, কোচবিহার: সুগন্ধি চালের চাহিদা আকাশছোঁয়া। রাজ্যে তো বটেই দেশ-বিদেশে এই চালের চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। উত্তরবঙ্গের উৎপাদিত সুগন্ধি চালের প্রজাতিগুলির অন্যতম কালো নুনিয়া। কোচবিহার জেলায় কালো নুনিয়া প্রজাতির ধান দীর্ঘদিন ধরেই উৎপাদন হচ্ছে। কালো নুনিয়া ধান উৎপাদনের মধ্য দিয়ে কৃষকরা লাভের মুখও দেখছেন। তাই এবার সুগন্ধি চাল উৎপাদনে আরও জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোচবিহার জেলা কৃষি দপ্তর। এবার কালো নুনিয়ার পাশাপাশি তুলাইপাঞ্জি চাষেরও উদ্যোগ এই জেলায় গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

[পাটের বিকল্প হিসাবে আখ চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা]

Advertisement

[জবা ফুল চাষ করেও হতে পারে প্রচুর লাভ, পদ্ধতি জানা আছে?]

কোচবিহারের সহকারি কৃষি অধিকর্তা গোপালচন্দ্র সাহা (তথ্য) এ সম্পর্কে জানান, বর্তমানে কোচবিহারে যে পরিমাণে কালো নুনিয়া ধানের চাষ হয় তা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ‘আত্মা’ প্রকল্পের আওতায় এনে কৃষকদের যাতে সার ও বীজ দিয়ে সহযোগিতা করা হয় তার উদ্যোগও নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চাষিদের আগ্রহ বাড়াতে উৎসাহ ও নানা পরামর্শও দেওয়া হবে। কোচবিহার জেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে খবর, এই জেলার পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলাতেও কালো নুনিয়া চাষ হয়। কোচবিহার জেলার প্রায় সাড়ে ছ’শো হেক্টর জমিতে এই ধানের চাষ হয়। সেটা দ্বিগুণ করে প্রায় ১৩০০ হেক্টর জমিতে এবার এই সুগন্ধি চালের চাষের পরিকল্পনা করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরে তুলাইপাঞ্জি চালের কথাও জগদ্বিখ্যাত। জেলা কৃষি দপ্তর চাইছে এই ধানের উৎপাদন এবার কোচবিহারেও করতে। সেই লক্ষ্যে নদিয়া থেকে তুলাইপাঞ্জি ধানের বীজ এনে জেলায় কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

[কম খরচে বেশি লাভে আজও তুলসীর তুলনা মেলা ভার]

অন্যান্য চালের তুলনায় প্রতি হেক্টরে সুগন্ধি চালের উৎপাদন কম হলেও তার বাজার মূল্য অনেকটাই বেশি। কালো নুনিয়া চাল বাজারে ৬৫ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়। তবে তুলাইপাঞ্জি চাল উত্তর দিনাজপুরের গুণগত মান এই জেলায় ধরে রাখতে পারবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে কোচবিহার জেলা কৃষি দপ্তরের খামারে পরীক্ষামূলকভাবে কালো নুনিয়ার সঙ্গে তুলাইপাঞ্জি ধানের চাষ করা হয়েছে। এই চাষে পোকার আক্রমণ রুখতে কীটনাশক বাবহার করা হলেও তার পরিমাণ অত্যন্ত কম। ফলে কৃষকদের লাভের মুখ দেখার প্রবল সম্ভাবনা। ইতিমধ্যে আগ্রহী কৃষকদের জন্য ব্লক স্তরে কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে অলোচনাচক্র করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলার প্রতিটি ব্লকে যাতে এবার কালো নুনিয়া এবং তুলাইপাঞ্জি চাষ করা সম্ভব হয় সেই উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি দপ্তর। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.