৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপূর্ব ভারতের রাজনীতিতে চাঞ্চল্যকর মোড়। সিকিম থেকে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হওয়ার পথে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিংয়ের দল সিকিম ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট। মঙ্গলবার এসডিএফ থেকে বিজেপিতে যোগ দিলেন দশজন বিধায়ক। ফলে, সিকিম বিধানসভায় শূন্য থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, কার্যত অবলুপ্তির পথে চলে গেল এসডিএফ।

[আরও পড়ুন: মেহবুবাকে দেখলেই গাল দিচ্ছেন, অন্যত্র সরানো হল গৃহবন্দি ওমর আবদুল্লাকে]


এমনিতে উত্তরপূর্ব ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে হয় বিজেপি, নয় বিজেপির জোটসঙ্গীরা ক্ষমতায় ছিল। একমাত্র সিকিমেই এতদিন সে অর্থে পা রাখতে পারেনি গেরুয়া শিবির। সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে জোটসঙ্গী সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা ক্ষমতায় এলেও বিজেপি পেয়েছিল শূন্য। ভোট জুটেছিল মাত্র ১.৬২ শতাংশ। সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে নাটকীয় পটপরিবর্তন হল। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল এসডিএফ ভাঙিয়ে দশজন বিধায়ককে দলে যোগদান করাল গেরুয়া শিবির। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন দলের কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধবও। সিকিমে পবন চামলিংয়ের দলের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১৫। তার মধ্যে দশজন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তাদের দলত্যাগ বিরোধী আইনেও পড়তে হবে না। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী যদি কোনও দলের দুই তৃতীয়াংশ বা তাঁর বেশি বিধায়ক একবারে দলত্যাগ করেন তাহলে তাদের বিধায়ক পদ বাতিল হয় না।

[আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীরে মুসলিম বেশি বলেই ৩৭০ ধারার বিলুপ্তিকরণ’, বিতর্কিত মন্তব্য চিদম্বরমের]

দশজন বিধায়ক যোগ দেওয়ার ফলে চাইলেই এখন প্রধান বিরোধী দলের পদ দাবি করতে পারে বিজেপি। যদিও, এখনও তাঁরা খাতায় কলমে ক্ষমতাসীন সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার জোটসঙ্গী। অন্যদিকে, দশজন বিধায়ক দল ছাড়ায় চামলিংয়ের হাতে রইল মোটে ৫ বিধায়ক। এদের মধ্যে আবার দু’জন দুই আসন থেকে জিতে এসেছেন। তাই তাদের একটি করে আসন ছেড়ে দিতে হবে। ফলে কার্যকরীভাবে এসডিএফের বিধায়ক সংখ্যা মোটে ৩। যা সিকিম বিধানসভার ইতিহাসে সর্বনিম্ম। অনেকেই বলছেন, এর পরে সিকিমে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেলেন চামলিং।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং