BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৯  শুক্রবার ২ ডিসেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

একটানা ২২ ঘণ্টা উদ্ধারকার্য, মহারাষ্ট্রের বহুতলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১১টি দেহ

Published by: Paramita Paul |    Posted: August 25, 2020 10:13 am|    Updated: August 25, 2020 5:22 pm

11 Dead, many Trapped After Maharashtra Raigad Building Collapse

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপদ যেন পিছু ছাড়ছে না মহারাষ্ট্রের (Maharashtra)। একদিক তো করোনা সংক্রমণে নাজেহাল এই রাজ্য। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সন্ধেয় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাঁচতলা একটি বাড়ি। যাঁর ধ্বংসস্তূপের তলায় অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ধ্বংস্তূপ থেকে দুজনের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। বেলা গড়াতে সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াল ১১জনে। ২২ ঘণ্টা উদ্ধারকার্য চলার পরও বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত দুঘণ্টায় সাতটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু এখনও সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপ সরানো সম্ভব হয়নি। এই দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

সোমবার ঘটনাটি ঘটে মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার কাজলপুরা এলাকায়। সন্ধের সময় বিরাট শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখেন পুরনো পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের তিনটি তলাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সেই সময় অনেকেই বিল্ডিংয়ের ভিতর ছিলেন। ফলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়েছিলেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

[আরও পড়ুন: ফাঁস হবে পাক ষড়যন্ত্র! হামলার দেড় বছর পর আজ পুলওয়ামা কাণ্ডের চার্জশিট পেশ]

গতকাল সন্ধেয় প্রথমে স্থানীয়রা, পরে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (NDRF) উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাতভর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে চাপা পড়ে থাকা মানুষজনকে বের করে আনা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফের তিনটি দল। কংক্রিটের চাঙড় সরিয়ে ৬০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এনডিআরএফ জানিয়েছে, গতকাল সন্ধে থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। বৃষ্টির জন্য মাটি, পাথর সরিয়ে উদ্ধারকাজে কিছু দেরি হচ্ছে। এখনও অন্তত ২৫ জন মাটি চাপা পড়ে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: উচ্চবর্ণের ব্যক্তির বাড়ি থেকে ফুল তোলার জের, ওড়িশায় ‘একঘরে’ ৪০টি দলিত পরিবার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে