Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bengaluru

টিউশনে গিয়ে নিখোঁজ কিশোর, ৫ লাখ মুক্তিপণ চেয়ে ফোন! পরের দিন উদ্ধার অর্ধদগ্ধ দেহ

ঘটনার তদন্তে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১২:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১২:৩৩

options
link
টিউশনে গিয়ে নিখোঁজ কিশোর, ৫ লাখ মুক্তিপণ চেয়ে ফোন! পরের দিন উদ্ধার অর্ধদগ্ধ দেহ zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিকেলে গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়ে অপহৃত কিশোর। রাতে পুলিশে অভিযোগ দায়ের পরিবারের। পরের দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ উদ্ধার নাবালকের অর্ধদগ্ধ দেহ। হাড়হিম করা ঘটনা বেঙ্গালুরুতে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোরের নাম নিশ্চিত। বয়স ১৩ বছর। সে দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। নিশ্চিত অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া। বুধবার বিকেলে টিউশনে যায় সে। প্রতিদিনই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ বাড়ি ফিরে আসে সে। কিন্তু বুধবার ঘড়ির কাটা ৮টা পেরিয়ে গেলেও নিশ্চিত বাড়ি না ফেরায় খোঁজ শুরু করে পরিবার। শিক্ষককে ফোন করা হলে তিনি জানান, পড়ুয়ার ছুটি হয়ে গিয়েছে। বিস্তর খোঁজখুঁজির পর সন্ধান না মেলায় থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়েক করে নিশ্চিতের পরিবার।

Advertisement

বুধবার গভীর রাত ১টা নাগাদ কিশোরের বাবা স্থানীয় একটি কলেজের অধ্যাপক জে অচিত কাছে অচেনা নম্বর থেকে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। বলা হয় টাকা জোগাড় করতে। বৃহস্পতিবার সকালে ফোন করে লোকেশন জানিয়ে দেওয়া হবে, সেখানেই নিয়ে আসতে হবে টাকা। না হলে ফল মারাত্মক হবে। সেই মোতাবেক টাকাও জোগাড় করতে শুরু করে পরিবার।

বৃহস্পতিবার সকালে ফের অধ্যাপকের কাছে ফোন আসে। টাকা জোগাড় করা হয়েছে জানার পর একাধিক লোকেশন পাঠাতে থাকে অপহরণকারী। নির্দিষ্ট স্থানে যাওয়ার পর হঠাৎ বদলে যাচ্ছিল লোকেশন। বার কয়েক এই রকম চলার পর অপহরণকারী ফোন সুইচ অফ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে পরিবার। পুলিশে এই কথা জানান, পড়ুয়ার বাবা। শুরু হয় চিরুনী তল্লাশি। অবশেষে বাড়ি থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে নিশ্চিতের আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ পড়ুয়ার আসা যাওয়ার পথের সিসিটিভি খতিয়ে দেখে। তাতেই দেখা গিয়েছে বাড়ি ফেরার পথে একটি বাইক পথ আটকায় নিশ্চিতের। বেশকিছুক্ষণ তাদের কথা বলতেই দেখা যায়। তারপরই সাইকেল রেখে ওই বাইকের পিছনে উঠে চলে যেতে দেখা যায় কিশোরকে। এক পুলিশ কর্তা বলেন, “পরিবার টাকা দিতে রাজি শুনেই বারবার লোকেশন বদলাছিল অপহরণকারী। পুলিশ তার পিছু নিয়েছে কি না, তা দেখার জন্য এই রকম করছিল সে।”

বাইকের ওই ব্যক্তিকে? তার সঙ্গে মৃত পড়ুয়ার আগে পরিচয় আছে কি না, কোন ফোন নম্বর থেকে বারবার ফোন করছিল, সেটির বর্তমান অবস্থান কোথায়? খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.