৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫০টি লোকাল ট্রেনের বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া শুরু করল ভারতীয় রেল। এ বিষয়ে একটি টাস্ক ফোর্স তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই টাস্ক ফোর্স তৈরির জন্য নীতি আয়োগের প্রধান অমিতাভ কান্ত রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান ভি কে যাদবকে একটি চিঠি দিয়েছেন। যে চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৫০টি লোকাল ট্রেনকে বেসরকারিকরণের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করতে একটি শক্তিশালী টাস্ক ফোর্স তৈরি করতে হবে। এই টাস্ক ফোর্সকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ৫০টি স্টেশনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ৫০টি স্টেশনকেও বেসরকারিকরণ করা হবে।

[আরও পড়ুন: আর্থিক তছরূপের অভিযোগ, কর্ণাটকের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে আয়কর হানা]

যে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হচ্ছে, তাতে থাকছেন অমিতাভ কান্ত এবং ভি কে যাদব স্বয়ং। তাদের পাশাপাশি থাকবেন, আবাসন মন্ত্রকের সচিব, নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব, অর্থনীতি বিষয়ক দপ্তরের সচিব। এ বিষয়ে নীতি আয়োগের সিইও বলছেন, “আমি রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবং এটা ঠিক করা হয়েছে, যে অন্তত ৫০ টি স্টেশনকে বেসরকারিকরণের ব্যপারে দ্রুততার সঙ্গে এগোতে হবে। সদ্য ৬টি বিমানবন্দরকে যে প্রক্রিয়ায় বেসরকারিকরণ করা হয়েছে, সেই একই প্রক্রিয়ায় এই স্টেশনগুলিকে বেসরকারি করার জন্য একটি সচিব স্তরের টাস্ক ফোর্স তৈরি হবে। আর সকলেই মোটামুটি জানে, রেলমন্ত্রক প্রাথমিকভাবে ১৫০টি ট্রেনকে বেসরকারি করার উদ্যোগ নিয়েছে।” 

[আরও পড়ুন: ‘একজন জওয়ান শহিদ হলে ১০ জন শত্রুকে মারব’, হুঁশিয়ারি অমিত শাহের ]

কোন দেড়শোটি ট্রেন বেসরকারি করা হচ্ছে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, প্রাথমিক খবর অনুযায়ী কলকাতা ও মুম্বইয়ের কিছু ট্রেনকে বেসরকারি করা হতে পারে। বেসরকারিকরণের ক্ষেত্রে যেটা মূল বাধা সেটা হল ভাড়া বৃদ্ধি। বেসরকারি হয়ে গেলে পরিষেবার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ফলে, ট্রেনের ভাড়া অনেকটাই বাড়তে পারে। রেলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা বলছে, ভাল মানের পরিষেবা পেলে অধিকাংশ যাত্রীই অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে প্রস্তুত আছেন। সেসব কথা মাথায় রেখে, রেল আপাতত পরিকাঠামোর উন্নতির পরিকল্পনা করছে। রেল মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, এখন অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ লাইনে ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি ট্রেন চালাতে হচ্ছে। ফলে, রেল মন্ত্রক চাইলেও অতিরিক্ত ট্রেন চালাতে পারছে না। সেক্ষেত্রে পরিকাঠামোর উন্নতির প্রয়োজন। আর পরিকাঠামোর উন্নয়নে প্রয়োজন বিপুল অর্থ। প্রতিবছর যাত্রী ভাড়া বাবদ রেলকে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা লোকসানের মুখ দেখতে হয়। যা বন্ধ করতে চাইছে মন্ত্রক। সেজন্যই বেসরকারিকরণের এই প্রস্তাব।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং