Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা সংক্রমণ

মসজিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কোয়ারেন্টাইনে ২০০০, গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা তুঙ্গে

১৭৫ জনের লালারস পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২০, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২০, ১৯:৪০

options
link
মসজিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কোয়ারেন্টাইনে ২০০০, গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা তুঙ্গে zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনায় গোষ্ঠী সংক্রমণের (Community Transmission) আশঙ্কা দিল্লিতে। মার্চের গোড়াতে দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকার এক মুসলিম ধর্মগুরুর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দেশ-বিদেশ থেকে আসা কয়েকশো ইসলাম ধর্মালম্বী। তাঁদের মধ্যে একজনের তামিলনাড়ুতে মৃত্যু হয়েছে। শরীরে করোনার উপসর্গ মিলেছিল। অনুষ্ঠানে হাজির থাকা আরও একজন অন্ধ্রপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লিতে একযোগে ১৭৫ জনের লালারস পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। দু’হাজার জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সকলে দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনায় সপ্তাহের গোড়া থেকে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিল। যদি এই ১৭৫ জনের মধ্যে একাধিক মানুষ সংক্রমিত হন, তাহলে সেটা এখনও পর্যন্ত দেশে বৃহত্তম গোষ্ঠী সংক্রমণ হবে। ফলে দেশের করোনা পরিস্থিতি যে আরও খারাপ হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[আরও পড়ুন : এখনও করোনা ভাইরাসের ‘স্টেজ-২’তে ভারত ,আশ্বস্ত করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক]

জানা গিয়েছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব এবং কিরঘিজস্তান থেকে বহু মানুষ দিল্লির বাংলাওয়ালি মসজিদে জড়ো হয়েছিলেন। এমনকী গত সপ্তাহে শ্রীনগরে মৃত্যু হওয়া করোনা আক্রান্ত ইসলাম ধর্ম প্রচারকও দিল্লির অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। তিনি শ্রীনগর ফেরার পথে উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দ এলাকায় গিয়েছিলেন। সেইসময় বহু মানুষ তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন।এদিকে দিল্লির ওই মসজিদের ভিতরে এখনও ১২০০ জন রয়েছেন বলে খবর। তাঁদের উপর নজর রাখতে মেডিক্যাল টিম রাখা হয়েছে।এই ঘটনায় চূড়ান্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ভারতে করোনার বলি আরও দুই, পুণেতে মৃত প্রৌঢ় ও মধ্যপ্রদেশে যুবক]

দেশজুড়ে যেখানে জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। লকডাউন চলছে। বাড়ির বাইরে বের হলেই জুটছে পুলিশের লাঠির বাড়ি। আর সেই সময় একটি মসজিদের ভিতরে কীভাবে এতজন একসঙ্গে রয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই এলাকায় নজর রাখতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ কর্তারা। এদিকে সূত্রের খবর, ওই অনুষ্ঠানের শেষে বহু মানুষ গোটা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন। ফলে কতজন তাঁদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের থেকে কতজন আক্রান্ত হয়েছেন তা খুঁজে বের করা নিসন্দেহে কঠিন বিষয়। পাশাপাশি, এই গোষ্ঠী একাধিক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে, দেশে সামাজিক সংক্রমণ রোখা কঠিন হয়ে পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.