সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝড় উঠতে চলেছে সংসদের বাদল অধিবেশনে। বিরোধী জোটের দ্বিতীয় বৈঠকের ঠিক পরেই বৃহস্পতিবার বাদল অধিবেশন (Monsoon Session) শুরু হবে। মহিলা কুস্তিগিরদের যৌন হেনস্তা, দিল্লি সংক্রান্ত অধ্যাদেশ থেকে শুরু করে মণিপুরের হিংসার মতো বিষয় নিয়ে উজ্জীবিত বিরোধীরা যে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে চেপে ধরবেন, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে মণিপুরের হিংসা নিয়ে বিরোধীরা বাদল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করতে চলেছেন বলেই সূত্রের খবর।
#WATCH | Parliamentary Affairs Minister Pralhad Joshi says, “…The Session begins tomorrow. So, a meeting of All Party Floor Leaders was called. 34 parties and 44 leaders attended the meeting. We received important suggestions. Govt has 31 legislative listed items…All the… pic.twitter.com/O0eUkOEF4x
Advertisement— ANI (@ANI) July 19, 2023
বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ গঠনের পর বৃহস্পতিবারই প্রথম বসছে শরিক দলের সংসদীয় নেতৃত্ব। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ঘরে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে রণকৌশল ঠিক করতে বসবেন তাঁরা। বাদল অধিবেশনে বিরোধী জোট কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর সপ্তমে তুলবে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি বুঝে পালটা রণকৌশল সাজাচ্ছে সরকারপক্ষও। এদিন বাদল অধিবেশনের আগে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল সরকার পক্ষ। তাতে ৩৪টি দলের ৪৪ জন নেতা উপস্থিত হন। বিরোধীরা সমস্বরে মণিপুর নিয়ে আলোচনার দাবি জানায়। তাতে সরকার পক্ষ রাজি হয়েছিল বলেও দাবি।
[আরও পড়ুন: সাংসদ সংখ্যা শূন্য! তবু শক্তি প্রদর্শনে NDA বৈঠকে ডাক সেই ৮ শরিক দলকেও!]
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার সংসদের সচিবালয় থেকে বাদল অধিবেশনের কাজের তালিকায় সরকারের তরফে এবারে মোট ৩১টি বিল আনা হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে নতুন বিল আসতে চলেছে ২১টি। তাতে দিল্লি সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে বিল আকারে নিয়ে আসা থেকে শুরু করে তথ্য সুরক্ষা বিল, জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন (সংশোধনী) বিলগুলি রয়েছে। এর মধ্যে তথ্য সুরক্ষা বিলটিকে পাশ করানোর উপর সরকারপক্ষ তথা বিজেপি জোর দিচ্ছে এবং কীভাবে তা পাশ করানো যায় সেই রণকৌশল তৈরি করছে বলেই জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: খারাপ আবহাওয়া, ভোপালে জরুরি অবতরণ করল সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর বিমান]
বিলের তালিকায় অবশ্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) সংক্রান্ত কোনও বিল নেই। সাম্প্রতিককালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুখ খোলার পর থেকেই সরকার বাদল অধিবেশনে বিল আনতে পারে বলে জল্পনা ছিল। কিন্তু সরকার তাড়াহুড়ো করে এই বিল আনতে চাইছে না। বরং আরও একটু জল মেপে নিতে চাইছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।