BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা রুখতে একাধিক শহর ‘লক ডাউন’-এর আরজি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ব্যবসায়ীদের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: March 18, 2020 12:26 pm|    Updated: March 18, 2020 12:26 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আতঙ্কে জেরবার বিশ্ব। মহামারি রোগকে রুখতে ভারতের কয়েকটি শহরকে ‘লক ডাউন’ করার দাবি জানিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন একান্ন জন ব্যবসায়ী। যে কয়েকটি রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেই রাজ্যের শহরগুলিকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার আরজি জানান হয় চিঠিতে। পাশাপাশি সেই শহরগুলিতে ১৪৪ ধারাও জারি করারও আরজি জানান হয়।

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে এগিয়ে মহারাষ্ট্র তারপর কেরল, দিল্লি ও কর্নাটক। ফলে স্বপ্নের শহর মুম্বইতে এখন ভয়ে ত্রস্ত সকলেই। কাজ-কর্ম শিকেয় তুলে প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মুম্বইবাসী। করোনার জেরে ক্ষতির মুখে প্রচুর ব্যবসা। তাই যেই শহরগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সেই শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে তা পুরোপুরি ‘লক ডাউন’ করে দেওয়ার আরজি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন একান্ন জন ব্যবসায়ীরা। আরবান ক্ল্যাপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অভিরাজ সিং ভাল টুইটে জানান,”এই ভাইরাস কোনও মানুষের শরীরে প্রবেশের আগে তার জাতি-ধর্ম-বর্ণ দেখে না। তাই আগামী দুসপ্তাহের আগে ২০ মার্চ থেকে আক্রান্ত শহরগুলিতে দয়া করে ১৪৪ ধারা আইন জারি করার করুন। এই শহরগুলিকে আপাতত বন্ধ করে রাখলে এখন ভারতে যেকজন মানুষ আক্রান্ত হয়েছে তাদের থেকেও প্রায় পাঁচগুন বেশি মানুষকে এই ভাইরাসের কবল থেকে মুক্ত করা যাবে।” কীভাবে করোনার সংক্রমণ এক এক করে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে তা একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের সাহায্যে তৈরি করে ভারতের একান্ন জন ব্যবসায়ী প্রধানমন্ত্রীকে পাঠান। এই একান্নজনের গ্রুপের মধ্যে রয়েছেন স্ন্যাপডিল, রেড বাস সহ ভারতের একাধিক তাবড় ব্যবসায়ীরা। করোনা রুখতে প্রধানমন্ত্রীকে আরজি জানানোর পাশাপাশি সিনেমা হল শপিং মল বন্ধ করার জন্য তাঁর প্রশংসাও করেন। এমনকি প্রচুর মানুষকে বাড়িতে বসে কাজের জন্য উৎসাহিত করায়ও ধন্যবাদ জানান নরেন্দ্র মোদিকে।

[আরও পড়ুন:করোনায় পরোয়া নেই, অযোধ্যায় রামনবমীতে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েতের সম্ভাবনা]

মারণ ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে শহরগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে শহরবাসীকে প্রয়োজনীয় খাবার, ওষুধ সংগ্রহ করে রাখার পরামর্শ দেওয়ার আরজি জানান হয় এই চিঠিতে। তবে এই সংক্রমণের ভয়ে শহরের জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গেলে ভারতের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

[আরও পড়ুন:‘সরকারের ভূমিকা প্রশংসনীয়, করোনা নিয়ে রাজনীতি ঠিক নয়’, মন্তব্য কার্তি চিদম্বরমের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement