Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Andhra Pradesh

হোমওয়ার্ক করেনি বলে সজোরে থাপ্পড় শিক্ষিকার, ক্লাসেই চিরঘুমে ঢলে পড়ল ৬ বছরের পড়ুয়া!

প্রণয়ের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা গেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা করা যাবে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ২২:৪২

options
link
হোমওয়ার্ক করেনি বলে সজোরে থাপ্পড় শিক্ষিকার, ক্লাসেই চিরঘুমে ঢলে পড়ল ৬ বছরের পড়ুয়া! zoom
প্রণয়ের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
Advertisement

একরত্তি ছেলে স্কুলে গিয়েছিল রোজকার মতো। দিব্যি সুস্থ, তরতাজা। কিন্তু খানিক পরেই বাড়ির লোকের কাছে খবর এল ৬ বছরের ছেলেটা আর কোনওদিন ফিরবে না! চিরঘুমে ঢলে পড়েছে ছোট্ট প্রণয় তেজা। অভিযোগ, শিক্ষিকার মারেই তার এহেন পরিণতি! এমনই ঘটনায় চাঞ্চল্য বিশাখাপত্তনমে। 

ঠিক কী ঘটেছিল? প্রণয়ের বাড়ির লোকের দাবি, সে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। আগের দিন রাতেও ঘরে খেলা করেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সে জানায়, আজ সে স্কুলে যাবে। সামনে পরীক্ষা, তাই বাড়ির লোক সামান্য দোনোমোনো করছিল। তবে শেষপর্যন্ত তাকে স্কুলে পাঠানো হয়। পরে প্রণয়ের বাড়িতে একটা ফোন আসে। তাতেই জানা যায়, স্কুলে প্রণয়ের কোনও ‘বিপদ’ হয়েছে। তবে সেই ফোন স্কুল থেকে আসেনি। এসেছিল আশপাশের এক পরিচিতর কাছ থেকে। ততক্ষণে অচেতন প্রণয়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, আধঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছে প্রণয়ের। 

Advertisement

কিন্তু কেন অচেতন হয়ে পড়ল ছোট্ট ছেলেটি? তার বাড়ির লোকের অভিযোগ, সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে শিক্ষিকা শাস্তি দিচ্ছেন ওই পড়ুয়াকে। হোমওয়ার্ক না করার জন্য তাকে লাঠি দিয়ে মারা হয় বলে দাবি ক্লাসের অন্য পড়ুয়াদের। সিসিটিভিতেও তেমনটাই দেখা গিয়েছে। আর এরপরই সংজ্ঞা হারিয়ে ছিটকে পড়ে প্রণয়। অনুমান, তখনই তার মৃত্যু হয়। ক্লাসের মধ্যেই। এমন ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা স্কুল। একটা ছোট্ট ছেলের এমন মর্মান্তিক পরিণতি মানতে পারছেন না কেউই।

প্রণয়ের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা গেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা করা যাবে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, পড়ুয়াদের অকথ্য মারধরের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। ওইদিনই আরও কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছিল। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তারা। পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি মামলা রুজু করেছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকেই আটক করা হয়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.