সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যতদিন এগোচ্ছে ততই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পরিষ্কার হচ্ছে। প্রথমে জানা গিয়েছিল, চিনের অতর্কিত হানায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪ ভারতীয় জওয়ান। বেলা গড়াতেই জানা যায়, চারজন নয়। শহিদ হয়েছেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আরও চারজন। বৃহস্পতিবার রাতে সেনা সূত্র মারফত মিলল অন্য তথ্য। জানা গেল ৪ জওয়ান নয়, হাসপাতালে রয়েছেন কমপক্ষে ৭৬ জওয়ান। যদিও তাঁরা প্রত্যেকেই সেরে উঠছেন। এদিকে চিনের পক্ষে কজন আহত বা নিহত হয়েছেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেনার তরফে জানানো হয়েছে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৭৬ জওয়ান। তাঁরা প্রত্যেকেই সোমবার রাতের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে জখম হয়েছেন। এঁদের মধ্যে লেহ-এর হাসপাতালে রয়েছেন ১৮ জন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিতে পারবেন বলে সেনা সূত্রের খবর। বাকিরা একাধিক হাসপাতালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। তাঁরা এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন ওই সেনাধিকারিক।
[আরও পড়ুন : একের পর এক বিপর্যয়, এবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিজোরাম]
এদিকে বৃহস্পতিবারও লালফৌজের হতাহতের সংখ্যা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে চিন। তবে সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে খবর, চিনের তরফে ৪৩ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে গালওয়ান সীমান্তের ১৪ নম্বর পেট্রলিং পয়েন্টের কাছে চিনা সেনার তাঁবু খাটানোকে কেন্দ্র করে অশান্তি দানা বাঁধে। কার্যত নিরস্ত্র ভারতীয় সেনা জওয়ানদের উপর চড়াও হয় লালফৌজের জওয়ানরা। কাঁটাতারে ঘেরে রড দিয়ে ভারতীয় জওয়ানদের আঘাত করা হয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে শহিদ হন ২০ জওয়ান। জখম প্রায় ৭৬ জন।
[আরও পড়ুন : ঘুষ নিতে অফিসেই রাত জাগা, CBI-এর হাতে গ্রেপ্তার রেলের আধিকারিক]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক