Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jharkhand

মাথার দাম ছিল এক কোটি! বোকারোয় এনকাউন্টারে খতম কমান্ডার বিবেক-সহ ৮ মাওবাদী

লাল সন্ত্রাস নির্মুল করতে বিরাট অভিযান ঝাড়খণ্ডে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৫, ১১:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৫, ১১:৫৭

options
link
মাথার দাম ছিল এক কোটি! বোকারোয় এনকাউন্টারে খতম কমান্ডার বিবেক-সহ ৮ মাওবাদী zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাওবাদী মুক্ত ভারতের লক্ষ্যে ফের বড় সাফল্য। ঝাড়খণ্ডের বোকারোয় পুলিশি অভিযানে খতম ৮ মাওবাদী। মৃত মাওবাদীদের তালিকায় নকশাল কমান্ডার বিবেক। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাবাহিনীর হিট লিস্টে থাকা এই মাওবাদীর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। মাওবাদের বিরুদ্ধে বিরাট এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।

প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার লালপানিয়া এলাকার লুগু পাহাড়ে মাওবাদীদের জমায়েতের গোপন খবর আসে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে। নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে সোমবার সকালেই অভিযানে নামে সিআরপিএফ ও ঝাড়খণ্ড পুলিশের বিশেষ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তাবাহিনী। ঝাড়খণ্ডের ডিজিপি জানিয়েছেন, দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত ৮ জন মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

ঝাড়খণ্ড পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের তালিকায় রয়েছেন মাওবাদী কমান্ডার বিবেক। দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দাদের হিটলিস্টে ছিল এই ‘লাল সন্ত্রাসী’। তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল এক কোটি টাকা। বাকি ৭ জন বিবেকের সঙ্গী বলেই জানা যাচ্ছে। এদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। অনুমান করা হচ্ছে, বাকিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এমন রয়েছে যাঁদের মোটা অঙ্কের মাথার দাম ঘোষণা করেছিল সরকার।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর থেকেই ছত্তিশগড়, ঝড়খণ্ডের মতো মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে। ২০২৪ সালে বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ২৮৭ জন মাওবাদীর। গ্রেপ্তার হয়েছে হাজারেরও বেশি, পাশাপাশি আত্মসমর্পণ করেন ৮৩৭ জন। এরপর চলতি বছরে মাত্র ৩ মাসে এখনও পর্যন্ত ১৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র বস্তার রেঞ্জে সংখ্যাটা ১১০। মৃত মাওবাদীদের মধ্যে ‘মাথার দাম’ রয়েছে এমন বহু শীর্ষ স্থানীয় কমান্ডার নিকেশ হয়েছে। মাও অধ্যুষিত জেলার সংখ্যা ১২ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬। একদা বস্তার রেঞ্জের মাও অধ্যুষিত বড়েশেট্টি গ্রাম মাওবাদী মুক্ত বলে ঘোষিত হয়েছে। কার্যত কোমর ভেঙে যাওয়ার পর সরকারকে এক মাসের জন্য যুদ্ধ বিরতির আর্জি জানিয়ে শান্তি আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছে মাওবাদীরা। তবে লাল সন্ত্রাসকে পুরোপুরি নির্মুল করতে সরকার যে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে এই অভিযানে তা আবারও স্পষ্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.