৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ দেশের রায় LIVE রাজ্যের ফলাফল LIVE বিধানসভা নির্বাচনের রায় মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নির্বাচন ‘১৯

৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’বছরের শিশুই বাঁচিয়ে দিল দু’বছরের শিশুর জীবন৷ অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এমন অবাক করা কাণ্ডই ঘটেছে চেন্নাইয়ের এক হাসপাতালে৷ বছর দুয়ের শিশুর সফল হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করে চিকিৎসকরা প্রাণ ফিরিয়েছেন এক দু বছরের শিশুর৷ দেশের মধ্যে এমন প্রতিস্থাপনের নজির প্রথম তো বটেই৷ সেইসঙ্গে দু বছরের শিশুটিও বনে গিয়েছে সর্বকনিষ্ঠ অঙ্গদাতা৷

[আরও পড়ুন : ‘বিজেপি যাত্রার চরিত্রের মতো দু’মুখো’, শ্লেষের সুর প্রাক্তন শরিক উপেন্দ্র কুশওয়ার]

তামিলনাডুর ভিল্লুপুরমের বছর দুয়েকের শিশু বিরল রোগ কার্ডিওমায়োপ্যাথিতে আক্রান্ত৷ যে কোনও সময় তার স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল৷ এই অবস্থায় চেন্নাইয়ের এক বিখ্যাত হাসপাতালে ভরতি করানো হয় তাকে৷ দীর্ঘ চিকিৎসা, ওষুধ প্রয়োগের পরও কোনও উন্নতি হচ্ছিল না৷ চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন, হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন ছাড়া উপায় নেই৷ ফলে অঙ্গদাতা পাওয়ার লাইনে নাম লেখাতে হয়৷ ওদিকে, মুম্বইয়ে একই বয়সী শিশু, ফেব্রুয়ারি থেকে যার মস্তিষ্ক বিকল হয়ে গিয়েছে, তার অভিভাবকও সন্তানের অঙ্গে অন্যকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার মতো মহান কাজের ইচ্ছা প্রকাশ করে রেখেছিলেন৷ দাতা-গ্রহীতা পরস্পরকে পেল৷ মিলে গেল রক্তের গ্রুপও৷

এভাবেই মিলে গেল চেন্নাই-মুম্বাই৷ চেন্নাইয়ের হাসপাতালের একদল চিকিৎসক উড়ে যায় মুম্বাইতে৷ সেখান থেকে শিশুর শরীর থেকে হৃদযন্ত্রটি সংগ্রহ করে বিমানে নিয়ে যাওয়া হয় চেন্নাই৷ চিকিৎসকদের অত্যন্ত দক্ষতায় খুব কম সময়ের মধ্যে কাজটি হয়ে যায়৷ চেন্নাই ফিরে শুরু হয় প্রতিস্থাপনের জন্য অস্ত্রোপচার৷ নেতৃত্বে ছিলেন হাসপাতালের ডিরেক্টর কে আর বালাকৃষ্ণণ স্বয়ং৷ সাফল্যের সঙ্গে অস্ত্রোপচারের পর তিনি নিজেই জানান, ‘কাজটি আমাদের কাছে বড়সড় চ্যালেঞ্জের ছিল৷ আমি অত্যন্ত খুশি হয়ে জানাচ্ছি, শিশু চিকিৎসার জগতে আজকের এই সাফল্য একটা মাইলস্টোন হয়ে রইল৷’ নতুন হৃদয় পেয়ে কেমন আছে ভিল্লুপুরমের শিশুটি? তাকে দেখভালের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সুরেশ রাই জানাচ্ছেন, ‘বাচ্চাটি একেবারে ছোট হওয়ায় আমরা একটু চিন্তায় ছিলাম৷ কিন্তু বয়স এত অল্প বলেই হয়ত, নতুন সিস্টেমের সঙ্গে ওর শরীর খাপ খাইয়ে নিয়েছে৷ ও ভাল আছে৷ তবে এত জটিল একটা অস্ত্রোপচারের একটা প্রভাব তো আছেই৷ আগামী একবছর ওকে পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে৷’

[আরও পড়ুন : প্রথা ভেঙে শরবীমালায় প্রবেশের রেশ কাটেনি, ভোটের কাজেও হেনস্তার মুখে বিন্দু]

চেন্নাইয়ের হাসপাতালের এই খবর ছড়িয়ে পড়তে চিকিৎসা জগতে তো বটেই, আলোড়ন উঠেছে সাধারণ মানুষজনের মধ্যেও৷ চিকিৎসকদের এহেন সাফল্যে তাঁরা বুক বাঁধছেন, ছোট্ট সন্তানের কোনও সমস্যার ক্ষেত্রে জটিল থেকে জটিলতর চিকিৎসার মাধ্যমে নতুন জীবন দান করবেন এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা৷ আর চিকিৎসকরা পুরো কৃতিত্ব দিচ্ছেন সেই মা,বাবাকে, যাঁরা নিজের ২ বছরের সন্তানকে ব্রেন ডেথ অবস্থায় দেখে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মহান সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷ তাতেই এক হয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্র-তামিলনাডু৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং