BREAKING NEWS

১০  আশ্বিন  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

তুষারধসের মধ্যে মায়ের মৃতদেহ কাঁধে হাঁটলেন ভারতীয় সেনা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 2, 2017 12:05 pm|    Updated: February 2, 2017 12:05 pm

A Kashmir Soldier Treks With Mother's BodyThrough Avalanche Danger Zone

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবল তুষারধস। প্রায়শই তার জেরে চাপা পড়ছে সেনা ছাউনি। অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন ভারতীয় জওয়ানরা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মায়ের মৃতদেহ কাঁধে করে হেঁটে বাড়ি ফিরলেন এক ভারতীয় সেনা।

পাঠানকোটে কর্তব্যরত ছিলেন মহম্মদ আব্বাস নামে ওই ভারতীয় জওয়ান। দিনকয়েক আগেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়। মায়ের শব নিয়ে কাশ্মীরে ফেরেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর গ্রামে পৌঁছনোর রাস্তা রীতিমতো দুর্গম। এই পথেই নিয়মিত হয়ে চলেছে তুষারধস। শীতের শুরু থেকেই এ অঞ্চল রীতিমতো গোটা দেশ থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। তার মধ্যেই মায়ের মৃতদেহ কাঁধে করে হেঁটে গ্রামের বাড়ি পৌঁছলেন ওই ভারতীয় জওয়ান।

সাফারি গাড়ির উপর হামলে পড়ল দুই সিংহ, তারপর…

কিন্তু কেন তাঁকে হেঁটে ফিরতে হল? কোনও অন্য ব্যবস্থা হওয়া কি সম্ভব ছিল না? সেনা কর্তারা অবশ্য বলছেন, তাঁর জন্য হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নেননি। উল্টোদিকে জওয়ানের দাবি, হেলিকপ্টারের জন্য অপেক্ষা করেও করেও তিনি তা পাননি। তাঁর দাবি, সেনার সাহায্যের জন্য মায়ের মৃতদেহ নিয়ে চারটে দিন অপেক্ষা করেছিলেন তিনি। কিন্তু একসময় তাঁর ফোন ধরাও বন্ধ করে দেন কর্তারা। তারপরই মায়ের মৃতদেহ কাঁধে করে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যদিও কর্তৃপক্ষের সাফাই, ওই জওয়ানই হেলিকপ্টার নিতে দ্বিধা করেছিলেন। কেননা তিনি বুঝে উঠতে পারছিলেন না, আদৌ হেলিকপ্টারটি উড়তে পারবে কি না। তুষারধসের কারণেই এই পরিস্থিতি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

গ্রেপ্তার করা হয়েছে তেজ বাহাদুরকে, দাবি স্ত্রীর

যদিও এ সাফাইয়ে ক্ষোভ মিটছে না ওই জওয়ানের। তাঁর দাবি, মায়ের মৃতদেহ নিয়ে চরম হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এই কি তাঁর প্রাপ্য ছিল, প্রশ্ন ক্ষুব্ধ জওয়ানের।

রাস্তায় পড়ে কাতরাচ্ছেন রক্তাক্ত তরুণ, মোবাইলে ছবি তুলতে ব্যস্ত পথচারীরা

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে