Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পরিযায়ী শ্রমিক

বাঁশের স্ট্রেচারে শুয়ে আহত শিশু, তাকে কাঁধে নিয়েই ১৩০০ কিমি পাড়ি শ্রমিক পরিবারের

লুধিয়ানা থেকে হেঁটে মধ্যপ্রদেশে ফিরবেন এই শ্রমিক পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২০, ১১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২০, ১১:৫৯

options
link
বাঁশের স্ট্রেচারে শুয়ে আহত শিশু, তাকে কাঁধে নিয়েই ১৩০০ কিমি পাড়ি শ্রমিক পরিবারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের আবহে ভিনরাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের দিন কাটছে চরম দুর্দশার মধ্যে। মাইলের পর মাইল তাঁরা হেঁটে চলেছেন বাড়ির পথে। তেমনই এক করুণ ছবি ধরা পড়ল উত্তরপ্রদেশের সেরিংয়ের রাস্তায়। এক অসুস্থ শিশুকে বাঁশ-কাপড়ের স্ট্রেচারে ঝুলিয়ে পরিজনেরা রওনা দিয়েছেন বাড়ির উদ্দেশ্যে।

কতটা পথ হাঁটলে তবে বাড়ি ফেরা যায় তা পরিযায়ী শ্রমিকেরা জানেন না। তাঁরা শুধু জানেন বাড়ি ফিরতে হবে। আর কোনও আশাতেই পড়ে থাকা যাবে না ভিন রাজ্যে। উত্তরপ্রদেশের সেরিংয়ের রাস্তায় অসুস্থ শিশুকে বাঁশ-কাপড়ের স্ট্রেচারে শুইয়ে নিয়ে খালি পায়ে হেঁটে বাড়িতে দেখা গেল একটি পরিবারকে। পায়ে জুতো না থকালেও মনে রয়েছে অদম্য জেদ। তাতেই ভরসা করে একই পরিবারের ১৭ জন সড়ক পথে হেঁটে ফিরছেন নিজেদের গ্রাম মধ্যপ্রদেশের সিঙ্গরৌলিতে। লুধিয়ানা থেকে হাঁটতে শুরু করেছেন তাঁরা। জানা যায়, তাদের পরিবারের ছোট ছেলেটির ঘাড় ভেঙে গেছে। যন্ত্রণার কাতরাচ্ছে সে। তাতে কী, বাড়ি তো ফিরতে হবে। তাই হাঁটা থামায়নি ওই পরিবার। গুরুতর আহত শিশুটিকে বহনের জন্যে বাঁশ ও কাপড় দিয়ে হাতে তৈরি একটি স্ট্রেচার বানিয়েছেন। পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্যকে সেই স্ট্রেচারে শুইয়ে কাঁধে করেই পথ হেঁটেছেন তাঁরা। এই শিশুটিকে নিয়েই তাঁরা পার হবেন ১৩০০ কিলোমিটার। অর্থের অভাবে বাস বা ট্রাক ভাড়ার সামর্থ্য নেই এই পরিবারের। সরকারের কাছে সাহায্য চাইতে গেলে সেখানেও প্রয়োজন অর্থের। অর্থ ছাড়া যে জীবন অচল তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন এই পরিযায়ী শ্রমিকরা। স্বজনের থেকে দূরে থেকে অর্থ উপায়ই যে তাঁদের জীবনকে অর্থহীন করে তুলবে তা তাঁদের কল্পনার অতীত ছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন:ভোররাতে ট্রাক-লরির সংঘর্ষ, উত্তরপ্রদেশে মৃত ২৩ পরিযায়ী শ্রমিক]

পরিবারের এক সদস্য জানান, “উত্তরপ্রদেশের কানপুরে যাওয়ার পরে শেষ পর্যন্ত সহায়তা পাই। ততক্ষণে অসুস্থ ছেলেটিকে কাঁধে বয়ে আমরা প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে এসেছি। কানপুরের পুলিশ আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একটি ট্রাকের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।” তবে বাড়ি ফেরার এই করুণ চিত্র নতুন নয়। লকডাউনের আবহে আকছার দেখা মিলছে এই ছবি। কোথাও হেঁটেই বাড়ি ফিরতে সমর্থ হচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। কোথাও বা দুর্ঘটনার কবলে পরে রাস্তাতেই মিলিয়ে হয়ে যাচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার শেষ আশা।

[আরও পড়ুন:‘পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর দায়িত্ব রাজ্যের’, ফের চিঠি দিল কেন্দ্র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.