সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আবু সালেম-সহ সাত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শুক্রবার রায় ঘোষণা করল মুম্বইয়ের একটি বিশেষ ‘টাডা’ আদালত। দোষী সাব্যস্ত করা হয় কুখ্যাত গ্যাংস্টার আবু সালেম, ফিরোজ খান, করিমুল্লা খান, তাহের মার্চেন্ট, মুস্তাফা দোসা, রিয়াজ সিদ্দিকি। তবে দোষীদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আর এক অভিযুক্ত আবদুল কায়্যুমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। ১৯৯৩-এর ধারাবাহিক বিস্ফোরণে রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ২৫৭ জন নিরীহ মানুষ, আহত হন ৭১৩ জন। জানা যায়, ওই নৃশংস হামলার পিছনে হাত ছিল দাউদ ওরফে ‘ডি কোম্পানি’র।
#FLASH: Abu Salem convicted in 1993 Mumbai blasts case by Mumbai TADA Court
Advertisement— ANI (@ANI_news) June 16, 2017
ওই বিস্ফোরণের তদন্তের পর দফায় দফায় দাউদ, আবু সালেম থেকে শুরু করে বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্ত-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু হয়। শুক্রবার ‘টেররিস্ট এন্ড ডিসরাপটিভ অ্যাকটিভিটিস’ বা টাডা আদালত আবু সালেম-সহ, মুস্তাফা দোসা, ফিরোজ খান, রিয়াজ সিদ্দিকি, করিমুল্লাহ শেখ, মহম্মদ তাহির মার্চেন্ট ওরফে তাহির টাকলেয়া ও আবদুল কায়্যুম নামের সাত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চলা মামলায় রায় ঘোষণা করলেন বিচারপতি জি এ সানাপ। এই মামলার সওয়াল জবাব সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল ২০১৬ সালেই। তৎকালীন সরকারি কৌঁসুলি দীপক সালভি অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির আবেদন জানিয়েছিলেন।
Justice delayed is justice denied, have suffered a lot till now: Kirti Ajmera,1993 Mumbai blasts victim ahead of the verdict today pic.twitter.com/8lpkaIHHZN
— ANI (@ANI_news) June 16, 2017
বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতেই মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল বলে তদন্তে জানিয়েছিল সিবিআই। হামলার জন্য পাকিস্তান থেকে বিস্ফোরক ও অন্যান্য সামগ্রী চোরাপথে ভারতে পাঠায় দাউদ ইব্রাহিম ও আবু সালেম। মুস্তাফা দোসা ও তার ভাই মহম্মদ দোসা হামলাকারীদের গোপনে দেখা করা ও ছক কষার বন্দোবস্ত করে দেওয়ার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। দুবাই ও পাকিস্তান থেকে মুম্বই হামলার জন্য প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক ও অস্ত্রের আমদানির পিছনেও হাত ছিল মুস্তাফা দোসার। সঞ্জয় দত্তের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিল আবু সালেম।
মুম্বই বিস্ফোরণ মামলার প্রথম দফা সম্পূর্ণ হয় ২০০৭ সালে। ওই মামলায় বিশেষ টাডা আদালত ১০০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। যদিও অভিযুক্তরা রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে, তবে তা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ওই মামলায় সঞ্জয় দত্তের পাঁচ বছরের জেলের সাজা হয় ও ষড়যন্ত্রকারী ইয়াকুব মেমনকে ২০১৫ সালে ফাঁসি দেওয়া হয়। তবে এখনও দাউদ ইব্রাহিম, টাইগার মেমন-সহ একাধিক অভিযুক্ত পলাতক। দেরিতে হলেও সুবিচার পেয়ে খুশি হামলায় নিহতদের পরিবার।
সর্বশেষ খবর
-
সৌদি আরবে ভেঙে পড়ল জ্বালানি সংস্থার কপ্টার, মৃত কমপক্ষে ১৪, যুদ্ধের জেরে আকাশে আতঙ্ক?
-
হেরেও শিক্ষা নেই! আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেকই হচ্ছে না বৈভবের, শ্রেয়স-গম্ভীরের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
-
করাচিতে জঙ্গি হামলার দায় ভারতের ঘাড়ে! ‘নিজের ঘরে তাকান’, পাকিস্তানকে তোপ নয়াদিল্লির
-
‘বন্ধুর ঘর ভেঙেছি, আমার নাকি ছেঁড়া’, গোমাংস কাণ্ডের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সায়ক!
-
বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নেই! জুলাই মাসে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসুন দেশের এই ৬ অপরূপ স্থানে