BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুসলিম বলে জিনিস বেচতে বাধা! যোগী প্রশাসনের দ্বারস্থ পাঁচ সবজি বিক্রেতা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: April 13, 2020 8:42 pm|    Updated: April 13, 2020 8:42 pm

An Images

উত্তরপ্রদেশের রাস্তায় টহলদারি চালাচ্ছে পুলিশ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশজুড়ে লকডাউন (Lock down) চলছে। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান খোলা থাকলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজকর্ম চালাতে বলা হয়েছে। এই অবস্থার মধ্যেই উত্তরপ্রদেশের মাহোবা জেলায় কয়েকজন মুসলিম সবজি বিক্রেতাকে হেনস্তা করার পাশাপাশি ব্যবসা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠল। এই বিষয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন পাঁচজন মানুষ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্থানীয় এলাকায়। আর তারপরই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। জেলার এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ওই সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে দেখা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ওই সবজি বিক্রেতাদের অভিযোগ, লকডাউনের ফলে বেশিরভাগ মানুষই বাজারে আসছিলেন না। তাই এলাকায় ঘুরে ঘুরে সবজি বিক্রি করছিলেন তাঁরা। কিন্তু, গত ১১ এপ্রিল একটি গ্রামে সবজি বিক্রি করার সময় একদল মানুষ এসে তাঁদের বাধা দেয়। বলে, তাঁরা মুসলিম ও তবলিঘি জামাতের সদস্য। তাঁদের জন্যই ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাঁরা সবজি বিক্রির নাম করোনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তাই তাঁদের এখানে সবজি বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। এখনই যেন তাঁরা গ্রাম ছেড়ে চলে যান।

[আরও পড়ুন: “নিশ্চিত করুন দেশের কোনও মানুষ অভুক্ত থাকবে না”, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে আরজি সোনিয়ার ]

 

এপ্রসঙ্গে এক সবজি বিক্রেতা মহম্মদ শামিম বলেন, ‘একটি গ্রামে সবজি বিক্রি করতে গিয়েছিলাম আমরা। ১৫ মিনিটের মধ্যে ১০০ মানুষ আমাদের থেকে সবজি কিনতেও এসেছিলেন। ১০ থেকে ১৫ জন সবজি কেনার পর আচমকা কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়। তারপর অন্যদের বলতে থাকে, এরা মুসলিম। তাই এদের থেকে কোনও জিনিস কিনবে না। এই কথা শুনে সবাই সবজি ফিরিয়ে দেয়। তারপর থেকে ওই এলাকায় গত দুদিন ধরে কোনও সবজি বিক্রি করতে পারেনি আমরা। ওরা বলছে আমরা জামাতের সদস্য। এখানে করোনা ছড়াতে এসেছি।’

[আরও পড়ুন: প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে একাধিক বাড়ি লক্ষ্য করে থুতু! অজ্ঞাতপরিচয় মহিলাদের খোঁজে শুরু তদন্ত]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement