Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

উত্তরপ্রদেশে ফের রেল দুর্ঘটনা, লাইনচ্যুত রাজ্যরাণী এক্সপ্রেসের আটটি বগি

নাশকতার আশংকাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৯, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৯, ১৭:০৫

options
link
উত্তরপ্রদেশে ফের রেল দুর্ঘটনা, লাইনচ্যুত রাজ্যরাণী এক্সপ্রেসের আটটি বগি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একবার ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশে। শনিবার সকাল ৮ টা ১৫ নাগাদ মীরাট থেকে লখনউগামী রাজ্যরাণী এক্সপ্রেসের আটটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। রামপুর এবং মুণ্ডাপাণ্ডা স্টেশনের মধ্যবর্তী কোশী নদীর উপর একটি ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় কোনও প্রাণহানি না ঘটলেও, এখনও অবধি ১২ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। ঘটনার তদন্তে নেমে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় তিন ফুট লাইন এদিন ছিল না। তাই নাশকতার আশংকাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমনকী পরে দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন সন্ত্রাস দমন শাখার আধিকারিকরাও। ঘটনার দিকে কড়া নজর রাখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও।

[ফের বাতিল ‘পদ্মাবতী’র শুটিং, এবার কারণ দীপিকা]

বৃহস্পতিবার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। আসেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। শুরু হয় উদ্ধারকার্য। আহতদের চিকিৎসার জন্য পার্শবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকি যাত্রীদের তাঁদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ ট্রেন এবং বাসের ব্যবস্থাও করা হয়। চালু করা হয় আপৎকালীন নম্বরও (০১২১–৬৪০১২১৫)। এদিকে, আহতদের ৫০,০০০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রেল মন্ত্রী সুরেশ প্রভু। টুইট করে তিনি জানান, ‘পুরো ঘটনাটির দিকে নজর রাখছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উদ্ধারকার্য শেষ করার চেষ্টা হচ্ছে। গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তও করা হবে। দোষীদের কড়া শাস্তিও দেওয়া হবে।’ এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা এবং কম আহতদের ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন।

[মার্কিন ‘মাদার অফ অল বম্বস’-এর শিকার ৯০-এর বেশি জঙ্গি]

এই নিয়ে একমাসেরও কম সময়ে দু’‌টি রেল দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশে। এর আগে গত ৩০ মার্চ মাহোবায় মহাকৌশল এক্সপ্রেসের ৮টি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল। জব্বলপুর থেকে দিল্লি যাচ্ছিল ট্রেনটি। আহত হয়েছিলেন ২৫ জন যাত্রী। তার আগে, গত বছর নভেম্বর মাসে কানপুরের কাছে ইন্দোর–পাটনা এক্সপ্রেসের ১৪ কামরা লাইনচ্যুত হয়ে ১৪২ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন ২০০-রও বেশি। পরপর এরকম ট্রেন দুর্ঘটনায় স্বভাবতই রেলের পরিকাঠামো ও যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে।

[হিন্দু পড়ুয়াদের গোমাংস খাওয়ানোর অভিযোগ, ভাঙচুর চারুকলা কেন্দ্রের ক্যান্টিনে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.