Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Shigella disease

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই নয়া বিপদ শিগেলা! কেরলে বাড়ছে সংক্রমণ

কী এই রোগের উপসর্গ? জানুন বিস্তারিত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২০, ১০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০২০, ১০:১২

options
link
করোনা আতঙ্কের মধ্যেই নয়া বিপদ শিগেলা! কেরলে বাড়ছে সংক্রমণ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোঝিকোড়ের (Kozhikode) পর এবার কোচিতেও দেখা মিলল শিগেলা (Shigella) ব্যাকটেরিয়ার। করোনা আবহেই কেরলে (Kerala) আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এই ব্যাকটেরিয়াঘটিত অসুখ। বুধবারই এক ৫৬ বছরের মহিলার শরীরে মিলেছে সংক্রমণ। দু’সপ্তাহ আগেই কোঝিকোড়ে একটি ১১ বছরের ছেলের মৃত্যু হয় ওই অসুখে। পরে অন্তত ৩৬ জনের শিগেলায় আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছিল। যদিও সপ্তাহখানেকের মধ্যে তাঁরা সুস্থ হয়ে যান। এবার আক্রান্ত এর্নাকুলাম জেলায় কোচির (Kochi) এক প্রৌঢ়া। সতর্ক প্রশাসন।

জেলার কালেক্টর এস সুভাষ সকলকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই আক্রান্তকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আক্রান্তের এলাকা জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি কোঝিকোড়ের মতো এখানেও এলাকাবাসীকে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল পিল বিতরণ করা হচ্ছে। সংক্রমণ যাতে কোনওভাবেই ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, কোঝিকোড়ে যে ছেলেটি মারা যায় তার ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কা করা হয়েছিল। ডায়েরিয়ার পাশাপাশি অসহ্য পেটের ব্যথা হওয়ায় ছেলেটিকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। পরে ধরা পড়ে শিগেলা ব্যাকটেরিয়া রয়েছে এই সংক্রমণের পিছনে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কৃষি আইনের ধাক্কা! হরিয়ানার পুর নির্বাচনে ল্যাজে-গোবরে বিজেপি-জেজেপি জোট]

কতটা বিপজ্জনক এই ব্যাকটেরিয়া? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শিগেলা থেকে হওয়া শিগেলোসিস এমনিতে খুব ভয়ানক কোনও অসুখ নয়। কিন্তু কারও কো-মর্বিডিটি থাকলে তাঁর ক্ষেত্রে রীতিমতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। জল কিংবা বাসি খাবার থেকে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে। মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রেই হানা দেয় এটি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই অসুখের সাধারণ উপসর্গ হল ডায়েরিয়া ও জ্বর। ১০ বছরের কমবয়সিদের এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

শিগেলার হানাকে মোটেই হালকা ভাবে নিচ্ছে কেরল প্রশাসন। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করছে স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের বলা হচ্ছে, জল ফুটিয়ে খেতে। সকলকেই পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অনুরোধ করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। 

[আরও পড়ুন: কর্ণাটকে ভোট গণনার সময় পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান, SDPI’কে দোষারোপ বিজেপির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.