সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির কাছের মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে ভেসে আসা আজানের শব্দে ঘুম ভেঙে যায় বলে অভিযোগ করেছিলেন গায়ক সোনু নিগম। ওই মন্তব্যের যথার্থতা বিচারের আগেই তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করে দেয় মৌলবিরা। পালটা প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মাথা মুড়িয়ে ফেলেন সোনু। জানিয়ে দেন, তিনি কোনও ধর্মাচরণের বিরুদ্ধে নন। কিন্তু লাউডস্পিকার বাজিয়ে জোর করে আজান শোনানোর পক্ষপাতীও নন। নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে সোনু এও লেখেন, ইসলাম ধর্মের জন্মের সময় নিশ্চয় লাউডস্পিকার ছিল না। তবে সেই সময় কি ইসলাম ধর্মের চর্চা হয়নি?
came home at 4.45 am 2 most aggressive/ ear shattering call of azaan. Nothing more lowlife & dumb than such extreme imposed religiousity
Advertisement— Suchitra (@suchitrak) July 23, 2017
i wake up at Brahmamuhurt of my own accord & do my prayers & riyaz.& yoga. I dont need public loudspeakers to remind me of my God or my duty https://t.co/7rPSzG1EfB
— Suchitra (@suchitrak) July 23, 2017
[অমরনাথ হামলার সাহসী চালক সেলিমকে ৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার সোনুর]
সোনুর পথে হেঁটেই এবার ফের তারস্বরে আজানের তীব্র বিরোধিতা করলেন গায়িকা-অভিনেত্রী সুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তি। ‘কভি হাঁ কভি না’ সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে বড়পর্দায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। তিনিই এবার ভোরবেলা লাউডস্পিকারে জোরাল শব্দে আজান বাজানোর প্রতিবাদ জানালেন টুইটারে। যথারীতি তাঁর টুইট নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে বিতর্ক। সুচিত্রা লিখেছেন, “ভোর ৪.৪৫ মিনিটে বাড়িতে ফিরেছি। কিন্তু আজানের তীব্র শব্দে কানে তালা লেগে যাওয়ার উপক্রম। জোর করে ধর্মকে চাপিয়ে দেওয়া অযৌক্তিক।”
nobody objects to azaan or prayers during decent hours. But to be wakung up entire neighbourhood at 5 am is not civilized https://t.co/PBT94NtuGN
— Suchitra (@suchitrak) July 23, 2017
Unearthly hour. It’s not a civilised thing to do.
I don’t approve of loudspeakers at all. For all faiths. https://t.co/FqCG9wfN5u— kaveri (@ikaveri) July 23, 2017
এখন প্রশ্ন হল, হঠাৎ সুচিত্রা এরকম সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে টুইট করতে গেলেন কেন? গোটা ঘটনার সূত্রপাত সাগরিকা ঘোষের একটি টুইটকে ঘিরে। সাগরিকা টুইটারে লেখেন, “আজানের বিরুদ্ধে হিন্দু সেলেবদের প্রতিবাদ দেখে জানিয়ে দিই, তাঁদের ব্রাহ্মমুহূর্তে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। সেটাই আজানের উদ্দেশ্য।” এর পালটা সুচিত্রা লেখেন, “আমি নিজে ব্রাহ্মমুহূর্তে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ি। রেওয়াজ করি, যোগাসন করি। কিন্তু ঈশ্বরকে স্মরণ করার জন্য আমার অন্তত লাউডস্পিকারের দরকার পড়ে না।” এখানেই শেষ নয়। এরপর সুচিত্রা লেখেন, “আমরা কেউই আজানের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু ভোর পাঁচটার সময় জোর করে কারও ঘুম ভাঙিয়ে দেওয়াটা সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।”
[ভোরের আজানের ভিডিও পোস্ট করে দেশকে সুপ্রভাত জানালেন সোনু]
সর্বশেষ খবর
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের