২৫ জ্যৈষ্ঠ  ১৪৩০  শুক্রবার ৯ জুন ২০২৩ 

READ IN APP

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের পর অসম, আরও এক রাজ্যে নিষিদ্ধ হতে চলেছে PFI

Published by: Paramita Paul |    Posted: January 4, 2020 9:27 am|    Updated: August 21, 2020 1:56 pm

After UP, Assam govt seeks ban on PFI for allegedly inciting violence

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের পর এবার অসম। পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া বা PFI-কে নিষিদ্ধ করার আরজি নিয়ে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে চলেছে অসম সরকারও। তাদের অভিযোগ, নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে এই সংগঠনের ভূমিকা রয়েছে। তবে হিংসা ছড়ানোয় মদত দেওয়ার প্রমাণ হাতে এলেই কেন্দ্রকে চিঠি দেবেন তাঁরা।

এ প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “আমরা কেন্দ্রের সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবটরির রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। এই রিপোর্টে যদি জানা যায়, রাজ্যে CAA বিরোধী অশান্তির পিছনে PFI-এর হাত রয়েছে , সঙ্গে সঙ্গে আমরা কেন্দ্রের কাছে এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাব।” প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়। বেশ কিছু রাজ্য ওই সংগঠনের কাজকর্ম নিয়ে কেন্দ্রের কাছে রিপোর্ট দিয়েছে।

[আরও পড়ুন : একতাই শক্তি, হাতে হাত মিলিয়ে CAA আন্দোলনে শামিল হতে মমতাকে চিঠি পিনারাই বিজয়নের]

র প্রতিবাদে সবথেকে বেশি উত্তাল হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশে। ইতিমধ্যে সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২১ জনের। সরকারি ও বেসরকারি প্রচুর সম্পত্তির ক্ষতিও হয়েছে। এর ক্ষতিপূরণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মতো বিক্ষোভে জড়িত মানুষদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এরই মাঝে এই বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে হিংসা ছড়ানোর জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া(PFI)-কে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সেই সঙ্গে এই সংগঠনের ২৫ জন সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে হিংসায় জড়িত থাকার সমস্ত প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। উত্তরপ্র্দেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যের অভিযোগ, “নিষিদ্ধ সংগঠন স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া বা সিমি-র প্রাক্তন সমর্থকরা PFI-এ যোগ দিয়েছে। তারা CAA, NRC নিয়ে অশান্তি ছড়াচ্ছে। এধরণের অসামাজিক লোকজনকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। PFI কে নিষিদ্ধ করব আমরা।”

[আরও পড়ুন : ‘রাহুল গান্ধীও সমকামী’, স্বামী চক্রপাণির দাবি ঘিরে বিতর্কের ঝড়]

এদিকে দিল্লির গন্ডগোলেও অন্তত দু’জন পিএফআই সদস্য পুলিশ নজরে রেখেছেন বলে সূত্রের খবর। দিল্লির সীমাপুরী ও সীলমপুরীতে CAA-র প্রতিবাদে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সীমাপুরীর গন্ডগোলে অন্তত ১৫ জন বাংলাদেশিকে চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশের সিট।প্রসঙ্গত, মুসলিমদের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে এই সংগঠনটি গড়া হয়েছিল। কিন্তু, প্রথম থেকেই পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। শুধু কেরলেই ২৭টি খুনের অভিযোগ রয়েছে এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে