সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। সবসময় সব খবর থাকে তাঁর কাছে। কিন্তু, সেই তিনিই নাকি ব্যবহার করেননা ফোন অথবা ইন্টারনেট। তাহলে কিভাবে চলে তাঁর দৈনন্দিন জীবন? গোয়েন্দা জীবন পেরিয়ে এলেও এখনও তাঁর দৈনিক জীবনে সেই সময়ের প্রভাব স্পষ্ট। সেই কথাই এবার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানালেন ভারতের সুপার স্পাই অজিত ডোভাল।
বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়ালগ ২০২৬-এর উদ্বোধনী সেশনে বক্তব্য রাখেন ডোভাল। ভারত মণ্ডপে তরুণ অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তরে প্রাক্তন গোয়েন্দাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তিনি সত্যিই মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার এড়িয়ে চলেন তা কি সত্য?
এই প্রশ্নের উত্তরেই ডোভাল জানান, যে তিনি সত্যই ইন্টারনেট ব্যবহার করেননা। তিনি আরও জানিয়েছেন, “আমি পারিবারিক কাজ অথবা অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার করি না। আমি আমার কাজ সেভাবেই পরিচালনা করি। যোগাযোগের আরও অনেক মাধ্যম আছে। কিছু অতিরিক্ত পদ্ধতির ব্যবস্থা করতে হয় যা মানুষ জানে না।”
কেরালা ক্যাডারের আইপিএস অফিসার ডোভাল কর্মজীবনের একটা বড় অংশ গোয়েন্দা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ভূমিকায় কাটিয়েছেন। তিনি দেশের পঞ্চম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
এই সেশনে, তরুণ প্রজন্মের প্রতি বার্তা দেন ডভাল। তিনি বলেন, তারা ভাগ্যবান যে স্বাধীন ভারতে জন্মেছে। জানান, তাঁর জন্ম হয়েছিল ঔপনিবেশিক ভারতে। বলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষেরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। অনেক অপমান সহ্য করেছেন তাঁরা। অনেককে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। গ্রাম, সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।” সঙ্গে যোগ করেন, “আমাদের মন্দিরগুলি লুট করা হয়েছে। আমরা অসহায় ভাবে সে সব দেখেছি।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত তিন হাজার তরুণের উদ্দেশে ডোভাল বলেন, “ভারতের অতীত লাঞ্ছনার ইতিহাসের বদলা নিতে হবে। দেশকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে কেবল সীমান্ত নিরাপত্তার দিক থেকে নয়, বরং অর্থনীতি থেকে সামাজিক উন্নয়ন— সব দিক থেকেই ভারত আবার মহান হয়ে উঠবে।”
সর্বশেষ খবর
-
কেনিয়ায় ভয়ংকর দুর্ঘটনা, আছড়ে পড়ল কপ্টার, মৃত ইকুয়েডরের গোয়েন্দা প্রধান-সহ ৭
-
রাতভর এবিভিপি-বাম ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষ, ধুন্ধুমার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, আহত একাধিক
-
প্রায় ৬৯ হাজার কর্মসংস্থানের ‘দিশা’, ৩৩ শিল্প ইউনিটকে জমি দেবে রাজ্য
-
বেনিয়মই নিয়ম, শরিকি দ্বন্দ্বে হোটেল-রেস্তরাঁয় নানা ভাগ
-
১ কোটি পুরস্কার, প্রাক্তনদের মাসিক অনুদান! ক্রীড়ায় বাংলার উন্নতিতে বিরাট সিদ্ধান্ত শুভেন্দু সরকারের