BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘রাজকোষের টাকায় ধর্মীয় শিক্ষা নয়’, অসমে বন্ধ হতে চলেছে সরকারি মাদ্রাসা

Published by: Biswadip Dey |    Posted: October 9, 2020 5:42 pm|    Updated: October 9, 2020 5:42 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব সরকার পরিচালিত মাদ্রাসা (Madrassa) বন্ধ করে দেওয়া হবে অসমে। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করলেন অসমের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি জানিয়েছেন, জনগণের অর্থে কোনও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। এই মর্মে আগামী মাসেই বিজ্ঞপ্তি জারি হতে চলেছে বলে জা‌নিয়েছেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, ‘‘সরকারি টাকায় কোনও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। এই মর্মে নভেম্বরে আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করব। তবে বেসরকারি মাদ্রাসা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।’’

‘অসমের চাণক্য’ হিসেবে পরিচিত হিমন্ত বিশ্বশর্মার এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় AIUDF নেতা তথা সাংসদ বদরুদ্দিন আজমল জানিয়েছেন, যদি বিজেপি সরকার মাদ্রাসাগুলি বন্ধ করে দেয় তাহলে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তাঁর দল আবার তা চালু করবে। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা মাদ্রাসা বন্ধ করতে পারবেন না। বর্তমান সরকার যতই জোর করে তা বন্ধ করুক না কেন, আমরা ৫০-৬০ বছরের এই মাদ্রাসাগুলি ফের চালু করব।’’

[আরও পড়ুন: ​এখনও দেখা যায়নি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! ভারতে অক্সফোর্ডের করোনা টিকার ট্রায়ালে আশার আলো]

গত ফেব্রুয়ারিতে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছিলেন, সরকার কেবল সরকারি মাদ্রাসাই বন্ধ করবে না। বন্ধ হবে সরকারের অর্থে চলতে থাকা সংস্কৃত টোলও। তিনি বলেছিলেন, কোনও ধর্মনিরপেক্ষ দেশে সরকারের অর্থে ধর্মীয় শিক্ষাদান চলতে পারে না। কিন্তু বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ সংস্কৃত টোলের ব্যাপারটা ভিন্ন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সরকারি সংস্কৃত টোলের ক্ষেত্রে অভিযোগ, সেগুলির পরিচালনায় স্বচ্ছতা নেই। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’’

প্রসঙ্গত, অসমে মোট ৬১৪টি সরকার পরিচালিত মাদ্রাসা রয়েছে। বেসরকারি মাদ্রাসার সংখ্যা প্রায় ৯০০।  সেগুলির প্রায় সব ক’টিই জামিয়াত উলেমা দ্বারা পরিচালিত। এদিকে সরকারি টোল রয়েছে প্রায় ১০০টি। বেসরকারি টোল রয়েছে ৫০০-রও বেশি। সরকারি মাদ্রাসাগুলি চালাতে অসম সরকারের বার্ষিক ৩ থেকে  ৪ কোটি টাকা খরচ হয়। সরকারি টোলের ক্ষেত্রে বার্ষিক খরচ ১ কোটি টাকা।

[আরও পড়ুন: দেশে লাগাতার ৩ সপ্তাহ আক্রান্তের থেকে বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা, আরও কমল সক্রিয় রোগী]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement