Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Himanta Biswa Sarma

‘কমবেশি সকলেই হিন্দুদের বংশধর’, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

উত্তরপ্রদেশের পথ ধরে অসমেও শীঘ্রই আসতে চলেছে 'লাভ জিহাদ' আইন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২১, ১০:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২১, ১০:১৪

options
link
‘কমবেশি সকলেই হিন্দুদের বংশধর’, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্ক যেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নিত্যসঙ্গী। দিন কয়েক আগেই মুসlলিমদের নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। ফের ধর্মবিদ্বেষী মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। এবার তিনি বললেন কমবেশি আমরা সকলেই হিন্দুদের বংশধর। হিন্দুত্বই জীবনের একমাত্র রাস্তা। এটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর মতো এত বড় সাংবিধানিক পদে থেকেও হিমন্ত ( Himanta Biswa Sarma) এমন মন্তব্য কীভাবে করলেন? প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

আসলে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশের পথ ধরে অসমেও শীঘ্রই আসতে চলেছে ‘লাভ জিহাদ’ আইন। সেই আইনের কথা ঘোষণা করতে গিয়েই অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”হিন্দুত্বই (Hindutwa) জীবনের পন্থা। আমি বা অন্য কেউ কীভাবে এটা রুখতে পারে। এটা যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। আমরা সকলেই হিন্দুদের উত্তরসূরি। হিন্দুত্ব শুরু হয়েছে আজ থেকে ৫ হাজার বছর আগে। তাই এভাবে এটাকে আটকানো যায় না।” যদিও হিমন্তর দাবি তিনি যে লাভ জিহাদ (Love Jihad) আইন আনতে চলেছেন, তাতে নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের মানুষকে টার্গেট করা হবে না। যে কোনও ধর্মের মহিলারার প্রতারিত হলেই ব্যবস্থা নেবে সরকার। এক্ষেত্রে হিন্দু, মুসলিম কোনও বিভাজন করবে না তাঁর সরকার। কিন্তু তাতে ভরসা পাচ্ছে না বিরোধী শিবির। বিরোধী AIUDF-এর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে হিন্দুত্বের কথা বলছেন তাতেই স্পষ্ট মুসলিমদের টার্গেট করতেই এই আইন আনছেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘যারা গোমাংস খায় তাদের DNA বাকি ভারতীয়দের থেকে আলাদা’, বিতর্কিত মন্তব্য সাধ্বী প্রাচীর]

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেও হিমন্তের এক মন্তব্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, “রাজ্যের অভিবাসী মুসলিমদের সঠিকভাবে পরিবার পরিকল্পনা করতেই হবে। এ বিষয়ে তাঁর সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কাজ করতে চায়।” হিমন্তর বক্তব্য ছিল, “মুসলিমরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ না করলে কামাখ্যা মন্দিরের জমিও জবরদখল হয়ে যেতে পারে।” তখনও মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে প্রবল আপত্তি জানায় AIUDF। তাঁদের বক্তব্য ছিল, মুখ্যমন্ত্রী এভাবে নির্দিষ্ট একটি ধর্মকে টার্গেট করতে পারেন না। সেই বিতর্কের পরও দমে যাননি অসমের মুখ্যমন্ত্রী। ফের হিন্দুত্বের বন্দনা শোনা গেল তাঁর মুখে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.