Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Election Commission

সব অভিযোগ একটাই অ্যাপে, ‘ভূতুড়ে ভোটার’ বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের

আদৌ স্বচ্ছ্বতা আসবে কি? প্রশ্ন বিরোধী শিবিরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৫, ১২:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৫, ১২:৪০

options
link
সব অভিযোগ একটাই অ্যাপে, ‘ভূতুড়ে ভোটার’ বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে বিতর্ক। বিরোধীদের চাপ। এসবের মধ্যেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত তথ্য জানার ও অভিযোগ জানানোর জন্য নির্বাচন কমিশন যে অ্যাপগুলি নিয়ন্ত্রণ করে, সেই সব অ্যাপকে একত্রিত করে এবার একটিই অ্যাপ তৈরি করা হবে। যার নাম দেওয়া হচ্ছে ‘ECINET’।

সূত্রের খবর, আপাতত নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন কাজের জন্য প্রায় ৪০টি অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য VIGIL, Suvidha 2.0, ESMS, Saksham-এর মতো অ্যাপগুলি। সব মিলিয়ে এই অ্যাপগুলি প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশন এই সব অ্যাপকে একত্রিত করে একটিই অ্যাপ আনছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ECINET’।

Advertisement

কমিশন বলছে, ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে ভোটের দিনের হিংসা, ভোটার কার্ডের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে ভুয়ো ভোটারের নামে অভিযোগ করা, সবটাই করা যাবে ওই অ্যাপে। এর জন্য আলাদা আলাদা অ্যাপ ব্যবহার করার দরকার পড়বে না। শুধু তাই নয়, এই অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ ভোটাররা নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য পাবেন। এই অ্যাপেই দেখা যাবে আপডেটেড ভোটার তালিকা। ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা নিয়ে যে প্রশ্নগুলি উঠছে, সেগুলিও এড়ানো যাবে। শোনা যাচ্ছে, নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারই এই ধরনের ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মের কথা ভেবেছেন।

উল্লেখ্য, ভুয়ো ভোটার নিয়ে কিছুদিন আগে সরব হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকায় বহু ভুয়ো ভোটার রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। অভিযোগ ছিল, অন্য রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। আবার এক ব্যক্তির একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোটের পর একই অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ ছিল, এই দুই রাজ্যের ভোটের আগে আচমকাই বিভিন্ন এলাকায় ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়। যা কখনই সম্ভব নয়। এরপর বিরোধী শিবির এ নিয়ে বহুবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তারপরই স্বচ্ছ্বতা আনতে এই পদক্ষেপ করা হল। যদিও এই অ্যাপের মাধ্যমে আদৌ ভুয়ো ভোটার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কিনা সংশয় রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.