Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Covid-19

শহরতলি-গ্রামেও বাড়ছে করোনা, সংক্রমণ রুখতে পৃথক নির্দেশিকা কেন্দ্রের

জানেন কী বলা হয়েছে নয়া SoP'তে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২১, ১৭:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২১, ১৭:১১

options
link
শহরতলি-গ্রামেও বাড়ছে করোনা, সংক্রমণ রুখতে পৃথক নির্দেশিকা কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনার (Corona Pandemic) দ্বিতীয় ঢেউ। শহর থেকে এবার তা ছড়াতে ছড়াতে শুরু করেছে শহরতলি, মফস্বল, গ্রামগুলিতেও। যেহেতু দেশের বেশিরভাগ মানুষই গ্রামীণ এলাকায় থাকেন, তাই এই বিষয়ে চিন্তা আরও বেড়েছে প্রশাসনের। এই পরিস্থিতিতে এবার দেশের শহরতলি, গ্রামীণ এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলির জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের জারি করা এসওপি-তে গ্রামীণ এলাকায় করোনা রুখতে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে শহরতলি, গ্রাম এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি থেকে শুরু করে করোনা পরীক্ষার উপর জোর দিতে বলা হয়েছে। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের টুইটে এই নির্দেশিকার খবরটি জানানো হয়েছে। তাতে ওই এলাকাগুলিতে করোনা মোকাবিলায় নজরদারি, স্ক্রিনিং, হোম এবং কমিউনিটি ভিত্তিক আইসোলেশন, আরও বেশি র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের উপর জোর দিতে বলা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনাবিধি ভাঙার ‘শাস্তি’, মোড়লদের পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইতে হল তিন ‘দলিত’ বৃদ্ধকে]

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নয়া SoP’তে যে সমস্ত বিষয়গুলি বলা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল:

১. গ্রামীণ এলাকাগুলিতে অনেক জায়গাতেই উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গযুক্তদের হোম আইসোলেশনে থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। তাই সেখানে ন্যূনতম ৩০ বেডযুক্ত করোনা কেয়ার সেন্টার বা সেফ হোম খুলতে হবে।

২. কেন্দ্রের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরিকাঠামোয় বেশ কিছু পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , গ্রামীণ এলাকাগুলিতে করোনা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাঁপানি সংক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যের খবরাখবর রাখতে আশা কর্মীদের সাহায্য নিতে হবে।

৩. শহরের পাশাপাশি শহরতলি, গ্রাম এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও উন্নত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৪. কেউ যদি করোনা সংক্রমিত কোনও ব্যক্তির ছ’ফুটের মধ্যে বিনা মাস্ক পরে ১৫ মিনিটের বেশি থাকতে বাধ্য হন, তাঁর টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে।

[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আরও চার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন মোদির, এখনও উপেক্ষিত মমতা]

৫. গ্রাম্য এলাকাগুলিতে অনেকেই জ্বর, শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। এলাকার সিএইচও ওই রোগীকে ফোনেই পরামর্শ দিতে পারেন। তবে যে রোগীর অক্সিজেন লেভেল অনেকটাই কম, তাঁকে অবশ্য হাসপাতালেই ভরতি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৬. SoP’তে গ্রামীণ এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় আশা কর্মীদের পর্যাপ্ত পরিমান পালস অক্সিমিটার এবং থার্মোমিটার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, প্রতিবার ব্যবহারের পর ওই থার্মোমিটার এবং অক্সিমিটার স্যানিটাইজ করতে হবে।

৭. হোম আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্তদের ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ যেমন- ৫০০ মিলিগ্রাম প্যারাসিটামল, কাশির ওষুধ, মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। পাশাপাশি এই সময় কী করণীয় এবং কী করা যাবে না, সেটাও একটি লিফলেটে ছাপিয়ে আক্রান্তকে দিতে হবে।

এছাড়াও আরও একাধিক বিষয়ে জানানো হয়েছে ওই SoP’তে।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.