Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
অমিত শাহ

‘মানসিকতা বদলায়নি, আরও জনবিচ্ছিন্ন হবে কংগ্রেস’, জরুরি অবস্থার বার্ষিকীতে তোপ অমিতের

দেশ ও দলের আগে গান্ধী পরিবারের স্বার্থ দেখা হয় কংগ্রেসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১১:২১

options
link
‘মানসিকতা বদলায়নি, আরও জনবিচ্ছিন্ন হবে কংগ্রেস’, জরুরি অবস্থার বার্ষিকীতে তোপ অমিতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জরুরি অবস্থার বর্ষপূর্তির দিন ফের কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রাক্তন বিজেপি সভাপতির দাবি, দলের এত দুর্দশার মধ্যেও মানসিকতা বদলায়নি কংগ্রেসের (Congress)। দল এখনও গান্ধী পরিবারের আনুগত্যের বাইরে বেরতে পারেনি। এই মানসিকতা না বদলালে কংগ্রেস আরও জনবিচ্ছিন্ন হবে।

[আরও পড়ুন: করোনাকে পরোয়া নেই! বিহার ভোটে করোনা আক্রান্তদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের পরিকল্পনা]

২৫ জুন ১৯৭৫। ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্ধকারময় সময়ের সূচনা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi ) সুপারিশে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন রাষ্ট্রপতি। সেই ঘটনার ৪৫ তম বর্ষপূর্তির দিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একগুচ্ছ টুইট করে কংগ্রেসের অভ্যন্তরের ‘স্বৈরাচারী’ মানসিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করলেন। কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির কটাক্ষ,”দেশের অন্যতম বিরোধী দল হিসেবে কংগ্রেসের নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত, কেন এখনও দলের স্বৈরাচারী মানসিকতার অবসান ঘটেনি? যেসব নেতারা ওই একটা পরিবারের অংশ নন, তাঁরা আজও কেন নিজেদের মতপ্রকাশের অধিকার পান না? কেন দলের অন্দরে নেতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে না পেলে কংগ্রেস আরও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।”

[আরও পড়ুন: কোভিড নির্ণয়ে নয়া হাতিয়ার, ৪৫০ টাকার অ্যান্টিজেন কিটে আধঘণ্টায় মিলবে ফল]

জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন,” ৪৫ বছর আগে এই দিনে একটা পরিবার ক্ষমতার লোভে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। রাতারাতি একটা গোটা দেশ জেলখানায় পরিণত হয়। সংবাদমাধ্যম, বিচারব্যবস্থা, বাক স্বাধীনতা সব শেষ করে দেওয়া হয়। স্বৈরাচারী শাসন শুরু হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের চেষ্টায় স্বৈরাচার সরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেশে। কিন্তু কংগ্রেসের অন্দরে সেই মানসিকতা এখনও বহাল। একটা পরিবারের স্বার্থ এখানে দেশ ও দলের স্বার্থের আগে ভাবা হয়।” 

কংগ্রেসের তরফে অবশ্য পালটাও এসেছে। দলের প্রধান মুখপাত্র রনদীপ সিং সুরজেওয়ালা পালটা বিজেপির উদ্দেশ্যে কয়েকটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন। কংগ্রেসের প্রশ্ন, “কেন দেশের বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করে দেশে শুধু দু’জন ব্যক্তির সরকার চলছে, কেন বাকিরা নামমাত্র? কেন ঘোড়া কেনাবেচা, অন্যের বিধায়ক ভাঙ্গানোটাই বিজেপির একমাত্র অবদান? নেহেরু-গান্ধী পারিবারকে এত ঘৃণা করার কারন কী?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.