Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘স্পনসর’ চন্দ্রবাবু সরকার, সিঙ্গাপুর সফরে অন্ধ্রের কৃষকরা

কেন বিনা পয়সায় চাষিদের বিদেশে পাঠাচ্ছে প্রশাসন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২২, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২২, ১৬:১৫

options
link
‘স্পনসর’ চন্দ্রবাবু সরকার, সিঙ্গাপুর সফরে অন্ধ্রের কৃষকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারি খরচে সিঙ্গাপুর সফর। খাওয়া-ঘোরা। সবটাই বিনামূল্যে। না কোনও লটারির টিকিট নয়, চাষিদের জন্য এমন আয়োজন অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের। শতাধিক কৃষক অন্ধ্রের নতুন রাজধানী অমরাবতীর জন্য জমি দিয়েছিলেন। আর্থিক ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি জমিদাতাদের সিঙ্গাপুরে এমন প্রমোদ ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছে সরকার।

[প্রেমিককে কাছে পেতে গণধর্ষণের অভিযোগ প্রেমিকার!]

Advertisement

অন্ধ্র প্রশাসন রাজ্যের মোট ১২৩টি কৃষক পরিবারকে সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ওই মানুষগুলির  প্রায় কেউই এর আগে কোনওদিন তাদের রাজ্যের বাইরে পা রাখেননি। মোট চারটি দলে ভাগ হয়ে কৃষকরা সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। প্রথম ব্যাচটিকে বিদায় জানান মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। এই কৃষকরা অন্ধ্রের নতুন রাজধানী গড়ে তোলার জন্য তাদের উর্বর কৃষি জমি সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন। এর প্রতিদানেই সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। অন্ধ্র সরকার বলছে, অত্যাধুনিক এই নতুন শহরটি গড়ে তোলা হবে একেবারে সিঙ্গাপুরের আদলে। আর সেজন্য রাজধানীর জন্য জমি দিয়েছেন যে কৃষকরা তাদের সিঙ্গাপুর দেখানো হবে। মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু জানান, কৃষকরা যে জমি দিয়েছেন তাতে কী ধরনের শহর তৈরি হবে, কেমন আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে তা স্বচক্ষে দেখানোর জন্যই এমন উদ্যোগ।

[সঙ্গমে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীর যৌনাঙ্গে অ্যাসিড ঢালল স্বামী!]

প্রসঙ্গত, চার বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য ভাগ করে তেলেঙ্গানা আর অন্ধ্রপ্রদেশ গঠিত  হয়। পুরনো রাজধানী হায়দরাবাদ তেলেঙ্গানার মধ্যে পড়ায় অন্ধ্রের নতুন রাজধানী তৈরির প্রয়োজন হয়। অন্ধ্রের গুন্টুরের প্রায় পঁচিশ হাজার কৃষক নতুন রাজধানীর জন্য প্রায় ৩৫ হাজার একর জমি রাজ্য সরকারকে দেন। এই জমির জন্য এককালীন মূল্য ছাড়াও সরকার তাদের প্রতিবছর ক্ষতিপূরণ দেবে। পঁচিশ হাজার কৃষকের মধ্যে ১২৩ জনেক সিঙ্গাপুর ভ্রমণের জন্য বেছে নেওয়া হয়। তবে বিমানভাড়া কৃষকরা নিজেরাই দিচ্ছেন। চারতারা হোটেলে থাকা-খাওয়া, চারদিন সিঙ্গাপুরে বেড়ানোর যাবতীয় খরচ সরকার বহন করছে। যারা রওনা দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ভেলাগাপুডি গ্রামের ইদুপালাপতি সীতারামাইয়া। অমরাবতীর জন্য নিজের ১০ একর জমি দিয়েছেন তিনি, বিনিময়ে প্রতিবছর ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। বিদেশ সফরের আগে বেশ আবেগপ্রবণ ৬৫ বছর সীতারামাইয়া। বৃদ্ধ বলছেন, তাদের দেওয়া জমিতে কেমন শহর হবে সেটা তো একবার গিয়ে দেখে আসা দরকার। কেউ কেউ ভাবছেন সিঙ্গাপুর থেকে কতটা সোনা কিনতে পারবেন। কারও দুশ্চিন্তা সিঙ্গাপুরে গিয়ে ভাষা সমস্যায় পড়তে না হয়। আপাতত এই কৌতুহল, উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে অন্যরকম বিদেশ সফর গুন্টুরের পাণ্ডববর্জিত এলাকার শতাধিক কৃষকের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.