Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Anil Ambani

মুম্বইয়ে অনিল আম্বানির ৩,৭১৬ কোটির বাড়ি বাজেয়াপ্ত ইডির! বৃহস্পতিতেই তলব শিল্পপতিকে

প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণা অভিযুক্ত অনিল আম্বানি। সেই মামলার তদন্তে এবার মুম্বইয়ে শিল্পপতির ৩,৭১৬ কোটি টাকা বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৯:২৩

options
link
মুম্বইয়ে অনিল আম্বানির ৩,৭১৬ কোটির বাড়ি বাজেয়াপ্ত ইডির! বৃহস্পতিতেই তলব শিল্পপতিকে zoom
অনিল আম্বানি। ফাইল চিত্র।

প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণায় অভিযুক্ত অনিল আম্বানি (Anil Ambani)। সেই মামলার তদন্তে এবার মুম্বইয়ে শিল্পপতির ৩,৭১৬ কোটি টাকা বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। তাদের প্রতিবেদনে দাবি, বৃহস্পতিবার অনিলকে তলবও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ইডি সূত্রের খবর, অনিলের রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তিনটি ইসিআইআর দায়ের করেছে ইডি। বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি। এবার অনিলের প্রাসাদও বাজেয়াপ্ত করা হল। মুম্বইয়ের পালি হিলে অনিলের ১৭ তলার ওই বাসভবনটির নাম ‘অ্যাবোড’। ‘অ্যাবোড’-এর অর্থ এমন একটি জায়গা, যেখানে বসবাস করা হয়। অনিলের ওই বহুতলটির উচ্চতা প্রায় ৬৬ মিটার। ‘অ্যাবোড’কে ভারতের অন্যতম বিলাসবহুল বাড়ি বলে গণ্য করা হয়। ‘অ্যাবোড’ ১৬ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি। বাড়ির মধ্যেই রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। রয়েছে একাধিক সুইমিং পুল এবং জিম।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা অন্যত্র সরানোর অভিযোগ উঠেছে রিলায়্যান্স এডিএজি গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থা এবং তার কর্ণধার অনিলের বিরুদ্ধে। এ জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। সেই মামলায় নতুন করে অনিল ও তাঁর গোষ্ঠীকে গত মাসে নোটিস পাঠিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ‘এটাই শেষ সুযোগ বলেও’ স্পষ্ট করে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল। পাশাপাশি, এই অভিযোগের তদন্ত কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে, ১০ দিনের মধ্যে সিবিআই, ইডি-কে সেই তথ্য জানাতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রের দুই তদন্তকারী সংস্থার জবাব শুনে উষ্মা প্রকাশ করে বেঞ্চ বলেছিল, ‘‘তদন্তে কেন দেরি হচ্ছে! এমন বিলম্বের কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা নেই।’’

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অনিল ও তাঁর বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টকে ‘প্রতারক’ বলে ঘোষণা করেছে। যা নিয়ে মামলাও চলছে বিভিন্ন আদালতে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব শর্মা। গত ১৮ নভেম্বর প্রথম বার কেন্দ্র, দুই তদন্তকারী সংস্থা, অনিল এবং এডিএজি-কে নোটিস পাঠিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। আবেদনকারী পক্ষের অভিযোগ, ২০০৭-০৮ থেকে প্রতারণা হলেও, এফআইআর করা হয়েছে ২০২৫ সালে। ইডি, সিবিআই কী তদন্ত করছে, সেটাও জানাতে সুপ্রিম কোর্ট যাতে নির্দেশ দেয়, সেই আর্জিও জানানো হয়েছিল।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.