Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মূর্তি ভাঙার তাণ্ডব অব্যাহত, ফের আক্রান্ত আম্বেদকর

এ রাজনীতির শেষ কোথায়!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৯, ১৪:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৯, ১৪:০৮

options
link
মূর্তি ভাঙার তাণ্ডব অব্যাহত, ফের আক্রান্ত আম্বেদকর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লেনিনে শুরু। কিন্তু শেষ কোথায় কেউ বোধহয় জানেন না। মূর্তি ভাঙা কিংবা কালিমালিপ্ত করার রাজনীতি অব্যাহত। আর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তার শিকার হলেন বাবাসাহেব আম্বেদকর। আজমগড়েই ফের ভেঙে দেওয়া হল সংবিধানের রূপকারের মূর্তি।

জানা যাচ্ছে, সোমবার আজমগড়ের বাছওয়াল গ্রামে আম্বেদকরের একটি মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়। কারা এ কুকীর্তি করেছে তা জানা যায়নি। অচেনা দুষ্কৃতীদের নামে অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। এর আগেই আজমগড়েরই অপর একটি গ্রামে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল আম্বেদকরের একটি মূর্তি।

Advertisement

[  এবার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামের ফলকে কালি! ]

শুরুটা হয়েছেল মহামতি লেনিনকে দিয়ে, ত্রিপুরায়। দীর্ঘ আড়াই দশকের বাম জমানার অবসানের পরই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল লেনিন মূর্তি। প্রত্যাশিতভাবেই অভিযোগের আঙুল উঠেছিল সদ্য ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকারের দিকে। দিকে দিকে নিন্দার ঢেউ উঠতে না উঠতেই শুরু হয়ে যায় মূর্তি ভাঙার রাজনীতি। কলকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশ একই ছবি। সংঘ পরিবারকে টার্গেট করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির একাংশ ভেঙে কালিমালিপ্ত করা হয় কলকাতার কেওড়াতলায়। প্রায় একই সময়ে দ্রাবিড় আইকন পেরিয়ারের মূর্তিও ভেঙে দেওয়া হয়। আর তারপর থেকেই কখনও আম্বেদকর, কখনও শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি ভেঙে এই রাজনীতি চলতে থাকে। যার সাম্প্রতিক নমুনা প্রেসিডেন্সিতে শ্যামাপ্রসাদের নামাঙ্কিত ফলকে কালি ছেটানো। আর আজমগড়ে আম্বেদকরের মূর্তি ভাঙা।

[  কুমেরুতে ৪০৩ দিন কাটিয়ে নয়া নজির ইসরোর এই মহিলা বিজ্ঞানীর ]

এদিকে একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকায় গোড়াতেই সতর্ক হয়ে যায় প্রশাসন। উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে কথাও বলেছিলেন। মূর্তি ভাঙায় বারবার বিজেপি সমর্থকদের নাম জড়ানোয় দলের কর্মীদের সতর্ক করেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর হুঁশিয়ারিতে খানিকটা স্তিমিত হয় এই প্রবণতা। তবে একেবারে বন্ধ হয়নি। আজমগড়ের ঘটনাই তার প্রমাণ। তবে এই কাজে যে বিজেপি সমর্থকরা জড়িত এরকম কোনও প্রমাণ মেলেনি। দুষ্কৃতীদের সন্ধানে নেমেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.