Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

যুদ্ধ বাধলে দেশরক্ষায় সক্ষম ভারতীয় সেনা, আশ্বাস জেটলির 

ঘুরিয়ে কি বার্তা চিনকেই?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৭, ১১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৭, ১১:৩২

options
link
যুদ্ধ বাধলে দেশরক্ষায় সক্ষম ভারতীয় সেনা, আশ্বাস জেটলির  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম ও প্রস্তুত ভারতীয় সেনা’। মঙ্গলবার সংসদে এমনটাই জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলি। উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভাঁড়ারে যুদ্ধের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ গোলাবারুদ এবং অস্ত্রশস্ত্র মজুত নেই। পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হলে মাত্র ১০ দিনের রসদ রয়েছে সেনার হাতে। শুক্রবার উদ্বেগ প্রকাশ করে সংসদে এমনটাই জানিয়েছিলেন কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) বা ক্যাগ। তারপরই বিরোধীদের তোপের মুখে পড়ে সরকার। এদিন তা নিয়ে রাজ্যসভায় প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। জবাবে জেটলি সাফ জানিয়েছেন যে সবরকমের আগ্রাসনের জবাব দিতে সম্পূর্ণ তৈরি সেনাবাহিনী।

[যুদ্ধ বাধলে দশদিনেই শেষ ভারতীয় সেনার গোলাবারুদ, CAG রিপোর্টে চাঞ্চল্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি ডোকলাম নিয়ে চিনের সঙ্গে চাপানউতোর চলছে ভারতের। বারবার যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে লালফৌজ। একই সঙ্গে চলছে কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানের গোলাবর্ষণ। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ ঘোরালো হয়ে উঠেছে। এমনই সময় ক্যাগ রিপোর্টে প্রবল উদ্বেগ নিরাপত্তামহলে। যার জেরে সংসদে বেশ বিপাকে কেন্দ্র। এদিন জেটলি জানিয়েছেন, সেনার জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র-শস্ত্র কেনার প্রক্রিয়াকে আরও সরল করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেশ কিছু অস্ত্র আমদানি করা হচ্ছে। উদ্বেগের কিছু নেই, দেশ রক্ষায় সেনা সম্পূর্ণরূপে সক্ষম। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর  জবাবে সন্তুষ্ট নয় বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা দাবি করেন, বিগত তিন বছর থেকে পূর্ণসময়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পায়নি দেশ। প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর কোনও কাজ করেননি। এছাড়াও নৌসেনা ও বায়ুসেনায় একের পর এক ঘটে চলা দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী পক্ষের সাংসদরা।

[ভারতকে নয়া ‘মিগ-৩৫’ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে আগ্রহী রাশিয়া]

ক্যাগ রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৩-র পর থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ গোলাবারুদের গুণগত মানের কোনও উন্নতিই হয়নি। সেনাবাহিনীতে মজুত থাকা ৫৫ শতাংশ গোলাবারুদের ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় জোগান খুবই কম রয়েছে। আর যে ৪০ শতাংশ অস্ত্রশস্ত্র মজুত রয়েছে, তা দিয়ে যুদ্ধ বাধলে ১০ দিন পর্যন্তই লড়াই করা সম্ভব। কামান এবং ট্যাঙ্কের জন্য যে পরিমাণ গোলাগুলি প্রয়োজন, তাও সংখ্যায় খুবই কম রয়েছে। এছাড়া চারটির মধ্যে দু’টি যুদ্ধজাহাজে প্রয়োজনীয় অস্ত্র মজুত না থাকায় দোষারোপ করা হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীকেও। সমালোচিত হয়েছে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডও। ২০১৩-র মার্চ থেকে তাদের দেওয়া অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া ওই বছরই ফ্যাক্টরি বোর্ডকে ২০১৯ পর্যন্ত রোডম্যাপের কথা জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি তারা। এজন্যও ওই বোর্ডকে তুলোধোনা করা হয়েছে রিপোর্টে। যদিও তা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলেই আশ্বাস প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.