Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬

‘সংসদ চাইলেই ছিনিয়ে নেব পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর’, ফের হুমকি সেনাপ্রধানের

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরই লক্ষ্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৬:১৩

options
link
‘সংসদ চাইলেই ছিনিয়ে নেব পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর’, ফের হুমকি সেনাপ্রধানের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের ২৮ তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দিনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যে চেয়ারে বসে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন তার ওপর ছিল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাক্ষরিত হওয়া চুক্তির ছবি। আর এভাবেই নতুন বছরের শুরুতেই স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছিলেন আগামীর লক্ষ্য! পরিষ্কার বলেছিলেন, নির্দেশ পেলে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অভিযান চালাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আর তারপর থেকে তা ভারতের মধ্যেই থাকবে। শনিবার ফের একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন দেশের নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে

আজ একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘ভারতীয় সেনা জওয়ানরা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অভিযান চালানোর জন্য সবরকমভাবে তৈরি রয়েছে। সংসদ চাইলেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ছিনিয়ে নেব আমরা। তারপর থেকে তা ভারতের অধীনেই থাকবে। কারণ এই বিষয়ে সংসদে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে জম্মু ও কাশ্মীরের সমস্ত অংশ ভারতের অন্তর্গত। সেই অনুযায়ী, পাকিস্তানের দখল করে নেওয়া অংশও রয়েছে। তাই সেনা নির্দেশ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।’

[আরও পড়ুন: বেআইনি বহুতল ভাঙল প্রশাসন, ব্যাপক দূষণে ঢাকল কোচি উপকূলের আকাশ ]

 

এরপরই নিজের সহকর্মীদের ভারতীয় সংবিধান (Constitution of India)-এর প্রতি সর্বদা অনুগত থাকার বার্তা দেন তিনি। এপ্রসঙ্গে বলেন, ‘বিচার, স্বাধীনতা, সাম্যতা এবং ভ্রাতৃত্বের ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ভারতীয় সংবিধানের শপথ নিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছি আমরা। একথা সবসময় মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। কোনও অবস্থাতেই তা ভুলে গেলে চলবে না।’

[আরও পড়ুন: ‘জেএনইউতে আমরাই হামলা চালিয়েছি’, স্টিং অপারেশনে স্বীকারোক্তি এবিভিপি সমর্থকের ]

 

পাকিস্তান সম্পর্কে কড়া মনোভাব দেখালেও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর উপর আজ জোর দেন এম এম নারাভানে। চিনের সঙ্গে থাকা সীমান্ত সমস্যার পাকাপাকি সমাধানের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও ইঙ্গিত দেন। বিভিন্ন সময় দুদেশের সেনার মধ্যে হওয়া সীমান্তগত বিবাদের দ্রুত মীমাংসা করা ও একে অপরের সমস্যা সম্পর্কে আলোচনার জন্য একটি হটলাইন চালু করারও প্রস্তাব দেন করেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.