Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nagastra-1

আত্মনির্ভর ভারত, সন্ত্রাস মোকাবিলায় সেনার হাতে আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’

শরীরে বিস্ফোরক বোঝাই করে ৩০ কিমি পর্যন্ত উড়তে পারে ড্রোনটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৪, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৪, ১৫:৪৬

options
link
আত্মনির্ভর ভারত, সন্ত্রাস মোকাবিলায় সেনার হাতে আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এবার সেনার হাতে এল আরও এক মারণাস্ত্র নাগাস্ত্র-১। নাগপুরের সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ নামে এক সংস্থা এই অত্যাধুনিক আত্মঘাতী ড্রোন তুলে দিয়েছে সেনার হাতে। অভিনব এই ড্রোন পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে শত্রু মোকাবিলার পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর-সহ দেশের অন্দরে যে কোনওরকম সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভীষণ কার্যকর হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই অত্যাধুনিক ড্রোন নাগাস্ত্র-১ (Nagastra-1)। ‘কামিকাজে মোড’ রয়েছে এই বিশেষ ড্রোনে। জিপিএসের মাধ্যমে শত্রুর উপর আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারবে ড্রোনটি। মাত্র ৯ কেজি ওজনের এই মানববিহীন যান ৩০ মিনিট ধরে টানা উড়তে পারে। ১৫ কিমি পর্যন্ত মানব কন্ট্রোলে উড়তে পারে এটি, এছাড়া সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত অটোনোমাস মোডে উড়তে পারে ড্রোনটি। এবং শত্রুর সন্ধানে মাটি থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত উপরে উড়তে পারবে। শুধু তাই নয়, দিন এবং রাত যে কোনও সময় স্বচ্ছন্দে উড়তে সক্ষম এই নাগাস্ত্র-১। নিজের শরীরে এটি বহন করতে পারে ১ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক।

Advertisement

সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই অত্যাধুনিক ড্রোন মূলত সীমান্ত পারে বা ভিতরে শত্রু শিবিরের ট্রেনিং ক্যাম্পে যে কোনও রকম শত্রু ঘাঁটি, লঞ্চপ্যাডে হামলা চালাতে অত্যন্ত কার্যকারী। সেনার জীবনের ঝুঁকি কমাতে এই অস্ত্র আরও বেশি ব্যবহার করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ওই সংস্থাকে ৪৮০ টি ড্রোন বানানোর বরাত দেওয়া হয়েছে সেনার তরফে, যার মধ্যে ১২০ টি ইতিমধ্যেই তুলে দেওয়া হয়েছে সেনার হাতে।

[আরও পড়ুন: দুবাইয়ের ধাঁচে এবার পুজোর আগে কলকাতায় শপিং ফেস্টিভ্যাল, উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর]

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি মাও অধ্যুসিত অঞ্চলে শত্রু ধ্বংস করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই সমস্ত অঞ্চলে অভিযান চালাতে মাঝে মধ্যেই অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় জওয়ানদের। আশা করা হচ্ছে, অত্যাধুনিক এই ড্রোন সেনার হাতে এলে তা ঝুঁকি এড়িয়ে শত্রু ধংসে অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে উঠবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.