সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হরিয়ানায় ফের বিতর্কে এক বিজেপি নেতা। এবার ফতেহাবাদে তাঁর গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগায় একটি অ্যাম্বুল্যান্সকে মাঝ রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ উঠল শাসকদলের এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা রোগীর মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছেন পরিবারের লোকেরা। অভিযুক্ত বিজেপি কাউন্সিলর দর্শন নাগপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তাঁরা। যদিও যাবতীয় অভিযোগই অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর।
[‘ভয়ে হাত-পা কাঁপছিল, ভাগ্য ভাল ওরা আমাকে ধর্ষণ করেনি’]
রবিবার চণ্ডীগড়ে এক মহিলাকে ধাওয়া করার অভিযোগ ওঠে হরিয়ানায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুভাষ বরালার ছেলে বিকাশ বরালার বিরুদ্ধে। পেশায় ডিস্ক জকি ওই মহিলা অভিযোগ করেছিলেন, শুক্রবার রাতে চণ্ডীগড় থেকে পঞ্চকুলা যাওয়ার পথে, একটি গাড়ি নিয়ে তাঁর পিছনে ধাওয়া করে বিকাশ ও তাঁর এক সঙ্গী। ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে হরিয়ানার রাজ্য সভাপতির ছেলে ও তাঁর বন্ধুকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। পরে অবশ্য দুজনেই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে। বেজায় অস্বস্তিতে বিজেপি। এরইমধ্যে ফের হরিয়ানাতেই এক বিজেপি নেতার কীর্তির প্রকাশ্যে এল। ফতেহাবাদে শাসকদলের এক কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’-তে এক মূর্মূষ রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ।
[বানচাল নাশকতার ছক, থানে থেকে উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক]
শনিবারের ঘটনা। অভিযোগ, হরিয়ানার ফতেহাবাদে শহরের একটি ট্রাফিক সিগন্যালে স্থানীয় বিজেপি কাউন্সিলর দর্শন নাগপালের গাড়িতে ধাক্কা মারে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। অ্যাম্বুল্যান্স থাকা রোগীর পরিবারের লোকেদের দাবি, ঘটনার পর অ্যাম্বুল্যান্সটিকে পিছনে ধাওয়া করেন ওই বিজেপি কাউন্সিলর। এরপরই মাঝ রাস্তাতেই অ্যাম্বুল্যান্সটি প্রায় আধ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। শেষপর্যন্ত রোগীকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি যখন হাসপাতালে পৌঁছয়, ততক্ষণে বছর বিয়াল্লিশের নবীন সোনির মৃত্যু হয়েছে। মৃতের আত্মীয় সীতারাম সোনি বলেন, ‘কাউন্সিলর রীতিমতো আমাদের অ্যাম্বুল্যান্সটিকে ধাওয়া করেন। পরে অ্যাম্বুল্যান্সটিকে দাঁড় করিয়ে রেখে ক্ষতিপূরণে দাবি করতে থাকেন।’ তাঁর দাবি, হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা জানান, রোগীকে যদি ১৫ মিনিট আগে হাসপাতালে আনা হত, তাহলে হয়ত তাঁকে বাঁচানো যেত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত কাউন্সিলর দর্শন নাগপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। ফতেহাবাদের স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক জগদীশ চন্দ্র জানিয়েছেন, মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তি ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দু’পক্ষকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ।
[ভারতই শান্তি প্রক্রিয়ার বাধা, আজব দাবি পাক বিদেশমন্ত্রীর]
মাঝ রাস্তায় রোগী-সহ অ্যাম্বুল্যান্স আটকে রাখার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিজেপি কাউন্সিলর দর্শন নাগপাল। তিনি বলেন, ‘অ্যাম্বুল্যান্স আটকে রাখার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ঘটনার সময়ে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করতে পারেন।’ যদিও অভিযুক্ত কাউন্সিলরের দাবি, তাঁর গাড়ি চালক বলেছিলেন, অ্যাম্বুল্যান্স কোনও রোগী ছিল না এবং চালক মদ্যপ ছিলেন।
[ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধতে আর থাকবে না বোনেরা!]
সর্বশেষ খবর
-
দাঁতের ব্যথাকে হালকাভাবে নিচ্ছেন? মস্তিষ্কের জটিলতায় হতে পারে মৃত্যুও!
-
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নিউজিল্যান্ড, জারি সুনামি সতর্কতা
-
‘ভেবেছিলাম, ছেলের নাম রাখব রাম খান’, কেন মনোবাঞ্ছা পূরণ হল না সোহেল খানের?
-
আসন পুনর্বিন্যাসে সিঁদুরে মেঘ দেখছে কংগ্রেস! সর্বদলীয় বৈঠক চেয়ে মোদিকে চিঠি খাড়গের
-
সানি লিওনের সঙ্গে, চলুন বেড়িয়ে আসি মন্দারমণি! ‘বেবি ডলে’র সঙ্গে এআই ছবিতে ভরে উঠছে নেটভুবন