Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারেন জেটলি

বাজেটে কর ব্যবস্থায় সংস্কার সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে পারে মোদি সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৮, ১৩:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৮, ১৩:৫১

options
link
১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারেন জেটলি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসাবে শেষবার বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তবে পূর্ণাঙ্গ নয়, অন্তর্বর্তী বাজেট পাশ করবেন তিনি। ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদে জেটলি তাঁর এই অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করবেন। লোকসভা ভোটের আগে এই বাজেটে সরকারের বিভিন্ন কাজকর্মের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী পাঁচ বছরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখাও জেটলি পেশ করবেন বলে এক পদস্থ সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন।

[পাকিস্তানে ভারতীয় দূতাবাস কর্মীদের হেনস্তা, গর্জে উঠল দিল্লি]

Advertisement

অন্তর্বর্তী বাজেট হলেও এই বাজেটে কর ব্যবস্থায় সংস্কার সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে পারে মোদি সরকার। জেটলি ইতিমধেই তাঁর বাজেট প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছেন। বাজেট তৈরির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে তিনি আলোচনাও শুরু করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এক পদস্থ আধিকারিক শুক্রবার বলেছেন, “জেটলি এবার সংসদে কোনও পূর্ণাঙ্গ নয়, অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করবেন। বাজেট প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বিভিন্ন মহলের সঙ্গেও কথা বলছেন। অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রকের কাছ থেকে তাঁদের পরিকল্পনার কথা জানতে চেয়েছেন। সব কিছু ঠিকমতো চললে ২০১৯-এর ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী।” বিভিন্ন মহল থেকে শোনা যাচ্ছিল যে, মোদি সরকার এবারও পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবেন। যে কারণে গতবার বাজেট পেশের সময় এগিয়ে আনা হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার রূপায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরতেই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চায় মোদি সরকার। কিন্তু এদিনের সরকারি ঘোষণা সেই জল্পনার অবসান করল বলা যায়। সাধারণত অন্তর্বর্তী বাজেটে নতুন কোনও পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয় না। কর ব্যবস্থাতেও কোনও পরিবর্তন করা হয় না। বড় ধরনের কোনও সংস্কারমূলক পদক্ষেপও করা হয় না। তাই জেটলি এবার সেই সংস্কার ভেঙে নতুন কোনও ঘোষণা করেন কি না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে একটা আগ্রহ রয়েছে।

সাধারণত ভোট অন অ্যাকাউন্ট ও অন্তর্বর্তী বাজেট অনুমোদনের জন্য সংসদের সম্মতি প্রয়োজন হয়। সাধারণত অর্থবর্ষের কয়েক মাসের (সাধারণত চার মাস) ব্যয় বরাদ্দ অনুমোদন করে সংসদ। সাধারণ নিয়মে চার মাসের খরচের জন্য অনুমতি দেয় সংসদ। যদিও সাধারণ বাজেটের মতোই খরচের প্রস্তাবনাগুলি সারা বছরের জন্যই করা থাকে। তবে নির্বাচনের পর নতুন সরকার এসে সেই প্রস্তাবে পরিবর্তন করতেই পারে। এমনকী, কর ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন করতেও পারে নতুন সরকার।

[‘‘১৭ মিনিটে বাবরি মসজিদ ভেঙেছি, রাম মন্দির তৈরিতে এত সময় লাগছে কেন?’’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.