Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Arvind Kejriwal

‘দিল্লির রহমান ডাকাত কেজরি’, শিশমহলের ছবি পোস্ট করে খোঁচা বিজেপির

গেরুয়া শিবিরের মন্তব্যের প্রতিবাদ করে আপ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ছবিটি 'ফেক'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৪:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৪:০৫

options
link
‘দিল্লির রহমান ডাকাত কেজরি’, শিশমহলের ছবি পোস্ট করে খোঁচা বিজেপির zoom
আম আদমি পার্টি অবশ্য এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে।

অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গদি গিয়েছে। তবু শিশমহল নিয়ে তাঁকে বিজেপির খোঁচা দেওয়ার যেন শেষ নেই। এবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা পরবেশ বর্মা তাঁকে ‘দিল্লির রহমান ডাকাত’ বলে কটাক্ষ করলেন। দাবি করলেন, কেজরিওয়াল দ্বিতীয় শিশমহল তৈরি করেছেন। সেই সঙ্গেই শেয়ারও করেছেন তার ছবি। আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং অবশ্য পালটা দাবি করে জানিয়েছেন, ওই ছবিগুলি সম্পূর্ণ ‘ফেক’। যে সব টিভি চ্যানেলে এগুলি দেখানো হচ্ছে তারা এবং সঞ্জয় নাকি মানহানির মামলার মুখে পড়বেন বলেই দাবি করেছেন তিনি।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে পরবেশ এদিন বলেন, ”দিল্লির দ্বিতীয় শিশমহল আমরা আপনাকে দেখাতে চলেছি। দিল্লির ভোটাররা এই রহমান ডাকাতকে হারিয়ে দেওয়ার পর তিনি পাঞ্জাবে চলে গিয়েছে। ভগবত মান বিরক্ত হয়েছেন।” পাশাপাশি তাঁর দাবি, দিল্লির ৯৫ লোধি এস্টেটের বাংলোয় এখন থাকছেন কেজরি। যার উল্লেখ করে পরবেশের প্রশ্ন, ”উনি বলেন, আম আদমির মতো থাকতে চান। এরপর আমি যখন শিশমহলে যাই অবাক হয়ে ভাবছিলাম, এমন বিলাসবহুল বাড়িতে কারও ঘুম আসে কী করে?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আম আদমি পার্টি অবশ্য এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। তারা পালটা চ্যালেঞ্জ করে জানিয়েছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা এবং পরবেশ বর্মা যেন তাঁদের বাড়ির দরজা খোলা রাখেন।

কেজরির শিশমহল নিয়ে আগেও খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। তবে সেটা আগের বাড়িটি। গেরুয়া শিবিরের তরফে যে নথি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে সাকুল্যে খরচ করা হয়েছে ৪৪ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে অন্দরসজ্জার জন্যই খরচ হয়েছে ১১.৩০ কোটি টাকা। এছাড়াও পাথর ও মার্বেলের মেঝে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ফিটিংস, অগ্নি নির্বাপণ ইত্যাদি নানা খাতে খরচ হয়েছে বাকি টাকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.