BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘রাম মন্দিরের ভূমিপূজায় যাওয়া মানে ধর্মনিরপেক্ষতার শর্ত ভঙ্গ করা’, মোদিকে তোপ ওয়েইসির

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 28, 2020 5:01 pm|    Updated: July 28, 2020 5:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) ভূমিপূজায় উপস্থিত থাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন এআইএমআইএম সুপ্রিমো আসাদুদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi) । তাঁর সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাম মন্দিরের ভূমিপূজায় যাওয়া উচিত নয় নরেন্দ্র মোদির। কারণ, প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের ভূমিপূজনে যাওয়া মানে সংবিধানের ধর্মনিরপক্ষতার শর্ত লঙ্ঘন করা। তাই মোদির দেশকে জানানো উচিত, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওই অনুষ্ঠানে যাবেন, নাকি ব্যক্তি হিসেবে।

মঙ্গলবার টুইটারে এআইএমআইএম (AIMIM) সুপ্রিমো বলেন,”প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভূমিপূজনে অংশ নেওয়া মানে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক শপথের শর্ত লঙ্ঘন করা। কারণ, ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের সংবিধানের মূল ভিত্তি। তাই প্রধানমন্ত্রীর দেশকে জানানো উচিত, তিনি সেখানে ব্যক্তি হিসাবে যাচ্ছেন নাকি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে।” এআইএমআইএম নেতা বলছেন, ভেঙে ফেলা হলেও বাবরি মসজিদ তাঁর হৃদয়ে থাকবে। তিনি কোনওদিন ভুলবেন না যে, অযোধ্যায় ৪০০ বছর ধরে বাবরি মসজিদ ছিল। একদল দুষ্কৃতি সেটা ভেঙে ফেলেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াও একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়েইসি দাবি করেছেন,”রাম মন্দির ইস্যুটাই বিভাজনমূলক। করোনা পরিস্থিতিতে দেশে যখন মহামারী আইন লাগু হয়ে আছে, তখন প্রধানমন্ত্রী গিয়ে যদি মন্দিরের ভূমিপূজা করেন, তাহলে তো সব ধর্মস্থান খুলে দেওয়া উচিত।” যদিও ওয়েইসির এই কটাক্ষকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না বিজেপি। দলের এক মুখপাত্র বলছিলেন,”ওয়েইসির শেষ কয়েকটা বয়ান দেখলেই বোঝা যাবে, উনি এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানাতে চাইছেন। ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ চাইছেন।”

[আরও পড়ুন: ‘ইদে কুরবানি দিতে হলে নিজের সন্তানকে দিন’, বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্ক]

উল্লেখ্য, আগামী ৫ আগস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের দাবি, ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে উপস্থিত থাকবেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও নিশ্চিত করেছেন, মোদি ভূমিপূজায় থাকছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে এখন সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement