Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Asaduddin Owaisi

‘হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে’, জোর গলায় ‘চ্যালেঞ্জ’ ওয়েইসির

ওয়েইসিও কি 'গজওয়াতুল হিন্দে'র স্বপ্নে বিভোর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
‘হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে’, জোর গলায় ‘চ্যালেঞ্জ’ ওয়েইসির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিন হিজাব পরা মহিলাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভোটপ্রচারে গিয়ে চ্যালেঞ্জের সুরে বলে এলেন এআইএমআইএম সুপ্রিমো আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। তাঁর দাবি, আজকের সরকার সংখ্যালঘুদের ঘৃণা করে। মেয়েদের হিজাব পরাতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন।

ওয়েইসির সাফ কথা, এটা পাকিস্তান নয়, এখানে ঘৃণার কোনও জায়গা নেই। হায়দরাবাদের সাংসদের আশা, বিজেপির এই ঘৃণার রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির বর্তমান সরকার মুসলিম মহিলাদের হিজাব পরতে দেয় না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলাদের ক্ষমতায়নের কথা বলেন। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও-এর প্রচার করেন। তিন তালাক নিষিদ্ধ করেন। অথচ মুসলিম মহিলাদের সম্ভ্রম রক্ষার বিরোধী। ওয়েইসি বলছেন, যে হিজাবকে বিজেপি ঘৃণা করে সেই হিজাব পরা মহিলাই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। ভারতের সংবিধান সেটার অনুমোদন দেয়।

Advertisement

এআইএমআইএম সুপ্রিমোর বক্তব্য, “পাকিস্তানের সংবিধানে বলা আছে, একটি ধর্মের বাইরে কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। কিন্তু এ দেশে বাবাসাহেবের সংবিধান একজন হিজাব পরা মহিলাকে মেয়র, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনুমতি দেয়। সংবিধানে সাফ বলা আছে যে কোনও নাগরিক দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। আমার আশা একদিন হিজাব পরা মহিলাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন।” ওয়েইসি এই কথাগুলি একটি নির্বাচনী জনসভায় সংখ্যালঘু ভোটারদের একজোট করার লক্ষ্যে বলেছেন। আর তাতেই বিপদ দেখছে বিজেপি।

আসলে এই একই কথা ওয়েইসি আগেও বলছেন। তাঁর এই মন্তব্য স্রেফ সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ককে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা হিসাবে দেখতে রাজি নয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এমনিতেই দেশের জনবিন্যাস নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন বিজেপি তথা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের শীর্ষস্তরের নেতারা। যেভাবে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে হু হু করে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বাড়ছে, লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে খোদ প্রধানমন্ত্রীকেও সেটা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। তাছাড়া সংখ্যালঘুদের জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। সব মিলিয়ে ওয়েইসিও কি ‘গজওয়াতুল হিন্দে’র স্বপ্নে বিভোর?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.